শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হওয়ায় অভিমানে যুবকের আত্মহত্যা

 

 

প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে ঠিক হওয়ার খবর শুনে অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন রহিমল হাসান বাবু (২৩) নামে এক যুবক। শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নেত্রকোণার মোহনগঞ্জের সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের পাইলটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রোববার মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

রহিমল হাসান বাবু ওই গ্রামের হাবিবুল মিয়ার ছেলে। আর বাবুর সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকা মেয়ের বাড়িও একই গ্রামে। তারা ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

বাবুর পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী জানান, ওই মেয়েটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বাবুর। বাবু ও তার প্রেমিকা দুজনেই ঢাকায় থাকতো। সেখানে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসে তারা। আসার পর ওই মেয়ের বিয়ের জন্য আলোচনা করতে থাকে পরিবার। একথা শুনে বাবুর পরিবার মেয়েকে বিয়ের জন্য পারিবারিকভাবে আলোচনা করতে তাদের বাড়িতে যান। তবে বাবুর সঙ্গে মেয়েটিকে বিয়ে দিতে রাজি হননি পরিবারের লোকজন। ক্ষোভে আত্মহত্যার হুমকি দেন বাবু। শুক্রবার রাতে বিয়ের তারিখ পাকা করে পরিবার। ক্ষোভে নিজের ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বাবু। পরে ক্ষোভে মেয়ের বাবা-চাচার বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে স্বজনরা।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সাজন মিয়া বলেন, বাবুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল মেয়েটির। অন্যত্র বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ায় ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে আবেদন করেছেন বাবুর বাবা। ঘটনা তদন্ত করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কালের চিঠি / আলিফ

প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হওয়ায় অভিমানে যুবকের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৩:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

 

 

প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে ঠিক হওয়ার খবর শুনে অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন রহিমল হাসান বাবু (২৩) নামে এক যুবক। শনিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নেত্রকোণার মোহনগঞ্জের সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের পাইলটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রোববার মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

রহিমল হাসান বাবু ওই গ্রামের হাবিবুল মিয়ার ছেলে। আর বাবুর সাথে প্রেমের সম্পর্ক থাকা মেয়ের বাড়িও একই গ্রামে। তারা ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

বাবুর পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী জানান, ওই মেয়েটির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বাবুর। বাবু ও তার প্রেমিকা দুজনেই ঢাকায় থাকতো। সেখানে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসে তারা। আসার পর ওই মেয়ের বিয়ের জন্য আলোচনা করতে থাকে পরিবার। একথা শুনে বাবুর পরিবার মেয়েকে বিয়ের জন্য পারিবারিকভাবে আলোচনা করতে তাদের বাড়িতে যান। তবে বাবুর সঙ্গে মেয়েটিকে বিয়ে দিতে রাজি হননি পরিবারের লোকজন। ক্ষোভে আত্মহত্যার হুমকি দেন বাবু। শুক্রবার রাতে বিয়ের তারিখ পাকা করে পরিবার। ক্ষোভে নিজের ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বাবু। পরে ক্ষোভে মেয়ের বাবা-চাচার বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে স্বজনরা।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সাজন মিয়া বলেন, বাবুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল মেয়েটির। অন্যত্র বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ায় ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে আবেদন করেছেন বাবুর বাবা। ঘটনা তদন্ত করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কালের চিঠি / আলিফ