সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রং তুলিতে বৈশাখ ও আলপনা আঁকায় মুখরিত পলাশবাড়ী

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা চত্বরে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “রং তুলিতে বৈশাখ ও আলপনা আঁকা”। উক্ত আয়োজনটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করে হাসিমুখ ফাউন্ডেশন ও ছাত্রছাত্রী কল্যাণ পরিষদ।

 

সহযোগী পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল সেবা স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরিচর্যা কেন্দ্র, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা এবং সাফল্য একাডেমি কোচিং সেন্টার, গৃধারীপুর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।

 

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনটি দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী ও শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষ্যণীয়।

ইভেন্টের প্রধান আকর্ষণ ছিল উন্মুক্ত স্থানে আলপনা আঁকা, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বৈশাখের ঐতিহ্যকে রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। পাশাপাশি সাদা কাপড়ে হ্যান্ডপ্রিন্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে ধারণ করে, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে।

 

আয়োজক সংগঠন ‘হাসিমুখ’-এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন, “এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছাত্রছাত্রী কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এই ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে আমার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তারুণ্যকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

 

এছাড়াও আলপনা আঁকার কার্যক্রমে অংশ নেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ এবং পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র আল ইয়াসা রহমান তাপাদার।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট আবেদুর রহমান সবুজ এবং খবরবাড়ী টুয়েন্টিফোর-এর সম্পাদক মুসফিকুর রহমান মিল্টনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

 

পুরো কর্মসূচির সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ জুবায়ের রহমান জীবন। তার নেতৃত্বে আলপনা টিমের টিম লিডার রিয়া, হৃদয়, মৌমিতা, নয়ন, রিহানসহ হাসিমুখ ও ছাত্রছাত্রী কল্যাণ পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা সফলভাবে আয়োজনটি সম্পন্ন করেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করবে।

 

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করে এবং পুরো আয়োজনটি এক প্রাণবন্ত বৈশাখী উৎসবে পরিণত হয়।

রং তুলিতে বৈশাখ ও আলপনা আঁকায় মুখরিত পলাশবাড়ী

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা চত্বরে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “রং তুলিতে বৈশাখ ও আলপনা আঁকা”। উক্ত আয়োজনটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করে হাসিমুখ ফাউন্ডেশন ও ছাত্রছাত্রী কল্যাণ পরিষদ।

 

সহযোগী পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল সেবা স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরিচর্যা কেন্দ্র, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা এবং সাফল্য একাডেমি কোচিং সেন্টার, গৃধারীপুর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।

 

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনটি দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী ও শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষ্যণীয়।

ইভেন্টের প্রধান আকর্ষণ ছিল উন্মুক্ত স্থানে আলপনা আঁকা, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বৈশাখের ঐতিহ্যকে রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। পাশাপাশি সাদা কাপড়ে হ্যান্ডপ্রিন্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে ধারণ করে, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে।

 

আয়োজক সংগঠন ‘হাসিমুখ’-এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন, “এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছাত্রছাত্রী কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এই ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে আমার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তারুণ্যকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

 

এছাড়াও আলপনা আঁকার কার্যক্রমে অংশ নেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ এবং পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র আল ইয়াসা রহমান তাপাদার।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট আবেদুর রহমান সবুজ এবং খবরবাড়ী টুয়েন্টিফোর-এর সম্পাদক মুসফিকুর রহমান মিল্টনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

 

পুরো কর্মসূচির সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ জুবায়ের রহমান জীবন। তার নেতৃত্বে আলপনা টিমের টিম লিডার রিয়া, হৃদয়, মৌমিতা, নয়ন, রিহানসহ হাসিমুখ ও ছাত্রছাত্রী কল্যাণ পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা সফলভাবে আয়োজনটি সম্পন্ন করেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করবে।

 

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করে এবং পুরো আয়োজনটি এক প্রাণবন্ত বৈশাখী উৎসবে পরিণত হয়।