বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়া নিয়ে হত্যাকাণ্ড, আসামি গ্রেফতার

গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটা হত্যাকাণ্ডের মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)। গ্রেফতার হওয়া গুলজার রহমান (৪৫) মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) র‌্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া গুলজার রহমান সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া (টেংগামারা) এলাকার মৃত আব্দুল সামাদের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২২ জুন দিবাগত মধ্যরাতে একটি বিয়েবাড়ির খাবার অনুষ্ঠানে প্লেটে মাংস কম দেওয়া নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ সময় মামলার আসামি মনোয়ারা বেগম ভুক্তভোগী ছায়দার আলীর (৫০) মুখে মাংস-ভাতসহ প্লেট ছুড়ে মারেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ১৫ থেকে ২০ জন রান্নার লাকড়ি, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে ছায়দার আলীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় ছায়দার আলীকে প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৩ জুন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩’র গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে গুলজার রহমানকে গ্রেফতার করে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার হওয়া আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় পূজা মণ্ডপে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অসুস্থ আনসার সদস্যর মৃত্যু

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়া নিয়ে হত্যাকাণ্ড, আসামি গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ০৩:৫২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটা হত্যাকাণ্ডের মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)। গ্রেফতার হওয়া গুলজার রহমান (৪৫) মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামি।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) র‌্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া গুলজার রহমান সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের উত্তর ঘাগোয়া (টেংগামারা) এলাকার মৃত আব্দুল সামাদের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ২২ জুন দিবাগত মধ্যরাতে একটি বিয়েবাড়ির খাবার অনুষ্ঠানে প্লেটে মাংস কম দেওয়া নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ সময় মামলার আসামি মনোয়ারা বেগম ভুক্তভোগী ছায়দার আলীর (৫০) মুখে মাংস-ভাতসহ প্লেট ছুড়ে মারেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ১৫ থেকে ২০ জন রান্নার লাকড়ি, লাঠি ও লোহার রড দিয়ে ছায়দার আলীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় ছায়দার আলীকে প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৩ জুন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৩’র গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে গুলজার রহমানকে গ্রেফতার করে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার হওয়া আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।