সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজ ভাংচুর কাগজপত্র ও টাকা লুটপাটের অভিযোগ।

স্টাফ রিপোটার, গাইবান্ধা

কলেজ বন্ধ থাকার সুযোগে বরখাস্ত অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম ভাড়াটে সন্ত্রাসী দল নিয়ে কলেজে ভাংচুর করেছেন। তিনি অফিসে ঢুকে রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছেন।এসময় কলেজের প্রায় দুইলক্ষ টাকাও লুট করে নিয়ে যান তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা। গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ ধর্মপুর জব্বার ডিগ্রি কলেজে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় এ ঘটনা ঘটে। গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানাননো হয়। ঐ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার মিজানুর রহমান লিখিত বক্তব্যে জানান, ছামিউল ইসলাম অবৈধভাবে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এরপর তিনি বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা বিভাগ তাঁর এমপিও বাতিল করে। পরবর্তীতে তিনি তার আপন বড় ভাই হাবিবুর রহমানকে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি করে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য করেন। ছামিউল ইসলামের দুর্নীতি ও স্বেচ্ছারিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৩ সালের ২ এপ্রিল বরখাস্ত করা হয়। তিনি বরখাস্ত হওয়ার পরেও সোনালী ব্যাংক, গাইবান্ধা প্রধান শাখা থেকে তথ্য গোপন করে কলেজ নামীয় হিসাব হতে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যা চলমান রয়েছে। এসব নিয়ে খুব ক্ষুব্ধ ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম। তিনি গত ২৩ এপ্রিল ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে কলেজ বন্ধ থাকার সুযোগে ভাংচুর চালিয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও টাকা লুটপাট করে নিয়ে যান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো. এহেতাসামুল হক, মো. শফিউল ইসলাম, এসএম মমিনুর রহমান, মিজানুর রহমান, শফিকুর রহমান, রওশন আরা বেগম, রাশেদা বেগম, জায়েদা আনছারী, তপন কুমার বর্মন, মো. মাজেদ হাউলিদার, আব্দুস সালাম প্রমুখ।

বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজ ভাংচুর কাগজপত্র ও টাকা লুটপাটের অভিযোগ।

প্রকাশের সময়: ০৬:০০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

স্টাফ রিপোটার, গাইবান্ধা

কলেজ বন্ধ থাকার সুযোগে বরখাস্ত অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম ভাড়াটে সন্ত্রাসী দল নিয়ে কলেজে ভাংচুর করেছেন। তিনি অফিসে ঢুকে রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে গেছেন।এসময় কলেজের প্রায় দুইলক্ষ টাকাও লুট করে নিয়ে যান তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা। গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ ধর্মপুর জব্বার ডিগ্রি কলেজে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় এ ঘটনা ঘটে। গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানাননো হয়। ঐ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার মিজানুর রহমান লিখিত বক্তব্যে জানান, ছামিউল ইসলাম অবৈধভাবে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এরপর তিনি বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা বিভাগ তাঁর এমপিও বাতিল করে। পরবর্তীতে তিনি তার আপন বড় ভাই হাবিবুর রহমানকে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি করে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য করেন। ছামিউল ইসলামের দুর্নীতি ও স্বেচ্ছারিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৩ সালের ২ এপ্রিল বরখাস্ত করা হয়। তিনি বরখাস্ত হওয়ার পরেও সোনালী ব্যাংক, গাইবান্ধা প্রধান শাখা থেকে তথ্য গোপন করে কলেজ নামীয় হিসাব হতে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যা চলমান রয়েছে। এসব নিয়ে খুব ক্ষুব্ধ ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম। তিনি গত ২৩ এপ্রিল ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে কলেজ বন্ধ থাকার সুযোগে ভাংচুর চালিয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও টাকা লুটপাট করে নিয়ে যান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো. এহেতাসামুল হক, মো. শফিউল ইসলাম, এসএম মমিনুর রহমান, মিজানুর রহমান, শফিকুর রহমান, রওশন আরা বেগম, রাশেদা বেগম, জায়েদা আনছারী, তপন কুমার বর্মন, মো. মাজেদ হাউলিদার, আব্দুস সালাম প্রমুখ।