সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জ স্কুল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঘরের ভেতর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করা হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার নাম শামসুন্নাহার রুমা (৪৫)। তিনি চন্ডিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের চক গোবিন্দ এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রুমা ওই বাসায় একাই বসবাস করতেন। এক মাস আগেও একই বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে।

 

প্রতিবেশীরা জানান, দুপুর গড়িয়ে গেলেও রুমার ঘর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হয়। এরপর পাশের বাসার এক নারী ভেতরে গেলে দেখতে পান—ঘরের দরজা খোলা, আর রুমা মেঝেতে হাত বাঁধা, পা বাঁধা এবং মুখ বাঁধা অবস্থায় নিথর পড়ে আছেন। ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল।

 

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক বলেন ” আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে তার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠাচ্ছি। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ ছিল। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি পরিকল্পিত ডাকাতি সেটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। ”

 

 

জনপ্রিয়

গোবিন্দগঞ্জ স্কুল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ১০:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঘরের ভেতর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করা হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার নাম শামসুন্নাহার রুমা (৪৫)। তিনি চন্ডিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের চক গোবিন্দ এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রুমা ওই বাসায় একাই বসবাস করতেন। এক মাস আগেও একই বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে।

 

প্রতিবেশীরা জানান, দুপুর গড়িয়ে গেলেও রুমার ঘর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হয়। এরপর পাশের বাসার এক নারী ভেতরে গেলে দেখতে পান—ঘরের দরজা খোলা, আর রুমা মেঝেতে হাত বাঁধা, পা বাঁধা এবং মুখ বাঁধা অবস্থায় নিথর পড়ে আছেন। ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল।

 

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক বলেন ” আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে তার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠাচ্ছি। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ ছিল। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি পরিকল্পিত ডাকাতি সেটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। ”