শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবন, চলছে বনজীবীদের প্রস্তুতি

  • আলিফ সরকার
  • প্রকাশের সময়: ০৮:০২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪
  • ১২১

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবন, চলছে বনজীবীদের প্রস্তুতি

তিন মাস বন্ধের পর আগামী রোববার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে বনজীবী ও পর্যটকদের জন্য খুলছে সুন্দরবন। সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ বন উন্মুক্ত হওয়ার উপলক্ষ্যে সুন্দরবন উপকূলে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে বনজীবীরা। চলছে নৌকা মেরামতের কাজ। প্রস্তুত হচ্ছে পর্যটকবাহী ট্রলারও।

জীববৈচিত্র রক্ষা ও নদী-খালের মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে জুন থেকে আগস্ট, এই তিন মাস সুন্দরবনে বনজীবী ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

বনজীবীরা বলছেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকলে তাদের আয় রোজগারও বন্ধ থাকে। চলে না সংসার। এজন্য সুন্দরবন সারা বছর উন্মুক্ত রাখাসহ দুই দফা দাবি তাদের।

সুন্দরবন–সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জেলে নৌকাগুলো নদীর তীরে সার করে বাঁধা। অনেকেই শেষবারের মতো নৌকা ও মাছ ধরার ছেঁড়া জাল মেরামতের কাজ করছেন। এখন তারা সুন্দরবনে গিয়ে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় রসদ কেনার টাকা জোগাড়ের কাজে ব্যস্ত।

এদিকে সুন্দরবনের নিরাপত্তায় প্রস্তুত বন বিভাগও। কর্মকর্তারা বলছেন, বনের ওপর নির্ভরশীলদের দাবির বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালীনী ফরেস্টার এ.বি.এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, তারা অনুমতি নিয়ে বনের ভেতরে যেতে পারবে। তাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো। এছাড়া তাদের দাবিগুলো উর্দ্ধতনদেরকে জানানো হবে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যাবেন সাতক্ষীরার প্রায় সাত হাজার জেলে।

কালের চিঠি /এএফ

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবন, চলছে বনজীবীদের প্রস্তুতি

প্রকাশের সময়: ০৮:০২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪

৩ মাস পর খুলছে সুন্দরবন, চলছে বনজীবীদের প্রস্তুতি

তিন মাস বন্ধের পর আগামী রোববার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে বনজীবী ও পর্যটকদের জন্য খুলছে সুন্দরবন। সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ বন উন্মুক্ত হওয়ার উপলক্ষ্যে সুন্দরবন উপকূলে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে বনজীবীরা। চলছে নৌকা মেরামতের কাজ। প্রস্তুত হচ্ছে পর্যটকবাহী ট্রলারও।

জীববৈচিত্র রক্ষা ও নদী-খালের মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে জুন থেকে আগস্ট, এই তিন মাস সুন্দরবনে বনজীবী ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

বনজীবীরা বলছেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকলে তাদের আয় রোজগারও বন্ধ থাকে। চলে না সংসার। এজন্য সুন্দরবন সারা বছর উন্মুক্ত রাখাসহ দুই দফা দাবি তাদের।

সুন্দরবন–সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জেলে নৌকাগুলো নদীর তীরে সার করে বাঁধা। অনেকেই শেষবারের মতো নৌকা ও মাছ ধরার ছেঁড়া জাল মেরামতের কাজ করছেন। এখন তারা সুন্দরবনে গিয়ে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় রসদ কেনার টাকা জোগাড়ের কাজে ব্যস্ত।

এদিকে সুন্দরবনের নিরাপত্তায় প্রস্তুত বন বিভাগও। কর্মকর্তারা বলছেন, বনের ওপর নির্ভরশীলদের দাবির বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালীনী ফরেস্টার এ.বি.এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, তারা অনুমতি নিয়ে বনের ভেতরে যেতে পারবে। তাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকবো। এছাড়া তাদের দাবিগুলো উর্দ্ধতনদেরকে জানানো হবে।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যাবেন সাতক্ষীরার প্রায় সাত হাজার জেলে।

কালের চিঠি /এএফ