বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতার আবাসিক হোটেলে আগুন, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত ৯ বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও ৬ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় ওয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য মহীশূর জানান, নিহতদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, আগুনে প্রাণ হারানো ৯ জনই বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন।

পুলিশের বরাত দিয়ে পিটিআই জানায়, নিউ মার্কেট এলাকার কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনের আবাসিক হোটেলে গত রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট, পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের কর্মীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। দমকলকর্মীরা ভবনটি থেকে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করেন এবং আহতদের কাছের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পিটিআইকে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ঘন কালো ধোঁয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপরের তলাগুলোতে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হয়। আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি জানিয়েছে, এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত কারণ জানায়নি।

কলকাতার আবাসিক হোটেলে আগুন, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশের সময়: ০৪:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত ৯ বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও ৬ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় ওয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য মহীশূর জানান, নিহতদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ভারতের পিটিআই ও এনডিটিভিসহ আরও বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, আগুনে প্রাণ হারানো ৯ জনই বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন।

পুলিশের বরাত দিয়ে পিটিআই জানায়, নিউ মার্কেট এলাকার কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনের আবাসিক হোটেলে গত রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট, পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের কর্মীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযানে যোগ দেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। দমকলকর্মীরা ভবনটি থেকে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করেন এবং আহতদের কাছের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পিটিআইকে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ঘন কালো ধোঁয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপরের তলাগুলোতে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হয়। আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি জানিয়েছে, এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত কারণ জানায়নি।