শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে বের করে দিলেন কর্মকর্তারা

ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সদ্য বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরে উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গভর্নরের বিদা‌য়ের পর এ ঘটনা ঘ‌টে।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিছু কর্মকর্তা সকালে প্রধান কার্যালয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা গভর্নরের উপদেষ্টার কক্ষে অবস্থান নিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আহসান উল্লাহকে নিরাপত্তার স্বার্থে কার্যালয় ত্যাগ করতে বলা হয়। পরে কর্মকর্তাদের চাপের মুখে তিনি ভবন ত্যাগ করেন বলে জানা যায়।

ঘটনার সময় ভবনের ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সাময়িকভাবে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। নিরাপত্তাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

কর্মকর্তাদের একটি অংশ দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, পদোন্নতি ও নিয়োগসংক্রান্ত ইস্যুতে অসন্তোষ থেকেই এ কর্মসূচি। দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে গভর্নরের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে বের করে দিলেন কর্মকর্তারা

প্রকাশের সময়: ১০:১১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সদ্য বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরে উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গভর্নরের বিদা‌য়ের পর এ ঘটনা ঘ‌টে।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিছু কর্মকর্তা সকালে প্রধান কার্যালয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা গভর্নরের উপদেষ্টার কক্ষে অবস্থান নিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আহসান উল্লাহকে নিরাপত্তার স্বার্থে কার্যালয় ত্যাগ করতে বলা হয়। পরে কর্মকর্তাদের চাপের মুখে তিনি ভবন ত্যাগ করেন বলে জানা যায়।

ঘটনার সময় ভবনের ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সাময়িকভাবে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। নিরাপত্তাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

কর্মকর্তাদের একটি অংশ দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, পদোন্নতি ও নিয়োগসংক্রান্ত ইস্যুতে অসন্তোষ থেকেই এ কর্মসূচি। দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে গভর্নরের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।