শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ হাজার ছাড়াল

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে এ রোগে মোট ২১৫ জনের প্রাণহানি ঘটল।

একই সময়ে নতুন করে ৭৮২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৮ হাজার ১ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ হাজার ৪৭৩ জন রোগী—এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৫১ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ৬২২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে—৭৬ জন। জানুয়ারিতে মারা যান ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন এবং মার্চে কেউ মারা যাননি। এরপর এপ্রিল মাসে ৭ জন, মে মাসে ৩ জন, জুনে ১৯ জন, জুলাইয়ে ৪১ জন, আগস্টে ৩৯ জন এবং চলতি অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে মারা গেছেন ১৭ জন।

চলতি বছরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটি নাগরিকদের সচেতন থাকার পাশাপাশি ঘরে ও আশপাশে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছে।

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ হাজার ছাড়াল

প্রকাশের সময়: ০৩:১১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে এ রোগে মোট ২১৫ জনের প্রাণহানি ঘটল।

একই সময়ে নতুন করে ৭৮২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার এই হিসাব নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৮ হাজার ১ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ হাজার ৪৭৩ জন রোগী—এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৫১ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ৬২২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে—৭৬ জন। জানুয়ারিতে মারা যান ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন এবং মার্চে কেউ মারা যাননি। এরপর এপ্রিল মাসে ৭ জন, মে মাসে ৩ জন, জুনে ১৯ জন, জুলাইয়ে ৪১ জন, আগস্টে ৩৯ জন এবং চলতি অক্টোবরের প্রথম ছয় দিনে মারা গেছেন ১৭ জন।

চলতি বছরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটি নাগরিকদের সচেতন থাকার পাশাপাশি ঘরে ও আশপাশে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছে।