শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় উল্লিখিত জেলাগুলোতে মোট ৯০টি পয়েন্টে বিজিবির সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। বান্দরবানের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ১১৬ জন পর্যটকসহ ১২২টি পরিবারের ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ৪৮ জনকে জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বিজিবি। পাশাপাশি বান্দরবান–রোয়াংছড়ি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে উপড়ে পড়া গাছ ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে বিজিবি। এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমিক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া স্টিলের সেতু রক্ষায় জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে।‘
তিনি জানান, দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে সমন্বিত উদ্যোগ, দ্রুত সাড়া এবং মানবিক সহায়তাই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্যাদুর্গত মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিজিবির উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 















