
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের আইনজীবী, সরকারি কর্মচারীর নন। তাই এ পদে থেকে নির্বাচন করতে আইনি কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান। অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ ছেড়ে নির্বাচন করবেন, এমন বক্তব্যের এক দিনের মাথায় তিনি এই ব্যাখ্যা দিলেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানোর আপিল শুনানি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) নিজ কার্যালয়ে ব্রিফ করছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘নির্বাচন করবেন বলে একটা প্রত্যাশার কথা বলেছেন, সেটা নিয়ে বিভিন্ন কথা হচ্ছে। আসলে আপনি কী বলতে চেয়েছেন, আইনের ব্যত্যয়টা কোথায়?’জবাবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘কোনো সমস্যা নেই। অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের কর্মচারী নন। অ্যাটর্নি জেনারেল সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রের আইনজীবী।এটা সরকারি কোনো কর্মচারীর পদ না। অ্যাটর্নি জেনারেল ইজ ফ্রি টু গো ইলেকশন (অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাচনে করার ক্ষেত্রে স্বাধীন)। ইভেন (এমনকি) ক্ষমতায় (পদে) থেকেও করতে পারেন। এখানে কোনো অ্যাম্বিগিউটির (অস্পষ্টতার) কিছু নেই।এটা সেটেল ল (প্রতিষ্ঠিত আইন)।’
এই সাংবাদিক আবার প্রশ্ন করেন, ‘যেহেতু আপনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে আছেন। নির্বাচন করবেন বিএনপি থেকে। সে ক্ষেত্রে আপনার….’ প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘যতক্ষণ অ্যাটর্নি জেনারেল আছি, আমি অ্যাটর্নি জেনারেল। রাষ্ট্রের আইনজীবী এবং আমার দায়িত্ব পালনের সময় আমি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ করেছি।আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘অনেকের ধারণা অ্যাটর্নি জেনারেল নিরপেক্ষ থাকবেন, আসলেই কি তাই, তিনি তো সরকারের পক্ষ?’ জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের পক্ষে। ইভেন অ্যাটর্নি জেনারেল যদি মনে করে সরকারের কোনো অ্যাকশন (কাজ) ডিফেন্ডেবল (সমর্থনযোগ্য) না, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর, আমি সেই সরকারের বিরুদ্ধেও দাঁড়াতে পারি। দ্যাট ইজ ল (এটিই আইন)।’
নিজস্ব প্রতিবেদক 















