মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আগামী ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে শুরু হচ্ছে গ্লোবাল ভিলেজ বইমেলা 

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের রাজধানী অস্টিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত গ্লোবাল ভিলেজ বইমেলা -২০২৫ । আগামী ২২ জুন শনিবার দ্যা ক্লাব এ্যাট ওয়েলস পয়েন্টে ১ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এই বই মেলা স্থানীয় সময় বিকাল ৩ টায় শুরু হয়ে রাত ৯ টায় শেষ হবে।

 

 

আয়োজক সংশ্লিষ্টরা জানান , আসন্ন বই মেলায় বাংলাদেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক, প্রকাশক ও পাঠকরা অংশ নিচ্ছেন । মেলায় ২০ টি বইয়ের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেখানে দেশ বিদেশের লেখকদের সহস্রাধিক বই পাওয়া যাবে। এছাড়া বইমেলা প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হবে সাহিত্য আলোচনা, কবিতা পাঠ, শিশুদের জন্য গল্প বলার আসর এবং বই বিনিময় কর্মসূচি।

 

এ বছর বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে বাংলাদেশি একজন তারকা লেখক ও গবেষককে “গ্লোবাল ভিলেজ লিট্যারসি অ্যাওয়ার্ড “প্রদান। এছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক ও কবিরাও অংশ নিচ্ছেন বিশেষ আলোচনায়। বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং প্রবাসী লেখকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একাধিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

 

আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও কালের চিঠি’র প্রকাশক বিমল সরকার জানান, “আমাদের লক্ষ্য বইয়ের মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে উদযাপন করা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে “প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বইমেলাকে ঘিরে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা। তারা মনে করছেন, এই আয়োজন বাংলাদেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

আগামী নির্বাচন : খরচের ব্যাপারে প্রার্থীদের পথ দেখালেন ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্ত – জীম ওয়াজেদ

আগামী ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে শুরু হচ্ছে গ্লোবাল ভিলেজ বইমেলা 

প্রকাশের সময়: ১০:৪৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের রাজধানী অস্টিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত গ্লোবাল ভিলেজ বইমেলা -২০২৫ । আগামী ২২ জুন শনিবার দ্যা ক্লাব এ্যাট ওয়েলস পয়েন্টে ১ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এই বই মেলা স্থানীয় সময় বিকাল ৩ টায় শুরু হয়ে রাত ৯ টায় শেষ হবে।

 

 

আয়োজক সংশ্লিষ্টরা জানান , আসন্ন বই মেলায় বাংলাদেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক, প্রকাশক ও পাঠকরা অংশ নিচ্ছেন । মেলায় ২০ টি বইয়ের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যেখানে দেশ বিদেশের লেখকদের সহস্রাধিক বই পাওয়া যাবে। এছাড়া বইমেলা প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হবে সাহিত্য আলোচনা, কবিতা পাঠ, শিশুদের জন্য গল্প বলার আসর এবং বই বিনিময় কর্মসূচি।

 

এ বছর বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে বাংলাদেশি একজন তারকা লেখক ও গবেষককে “গ্লোবাল ভিলেজ লিট্যারসি অ্যাওয়ার্ড “প্রদান। এছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক ও কবিরাও অংশ নিচ্ছেন বিশেষ আলোচনায়। বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং প্রবাসী লেখকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে একাধিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

 

আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও কালের চিঠি’র প্রকাশক বিমল সরকার জানান, “আমাদের লক্ষ্য বইয়ের মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে উদযাপন করা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে “প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বইমেলাকে ঘিরে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা। তারা মনে করছেন, এই আয়োজন বাংলাদেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।