মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিতর্কিত প্রি-পেইড বিদ্যুৎ মিটার গাইবান্ধায় স্থাপন করা যাবে না।

বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সেচ পাম্প মালিক সমিতি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার দুপুরে সংগঠন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সহ-সভাপতি দেবল কুমারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন

সংগঠনের উপদেষ্টা মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক আনাউর
রহমান, অর্থ সম্পাদক আহমাদুর রহমান রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক
মাহবুবুর রহমান সুমন, সদস্য আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মাহবুর মিয়া, ঋষি কেশ, হযরত আলী, তাজুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম,
আজাদুল ইসলাম আজাদ, আনিছ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সারাদেশে বিতর্কিত প্রি-প্রেইড বিদ্যুৎ মিটার
গাইবান্ধায় নেসকো লি: কর্তৃক স্থাপনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা
বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, যেগুলো এখনও সংশোধন হয়নি তা দ্রুত সংশোধন করে ওইসব বিল বাতিল করতে হবে এবং ঐ সকল গ্রাহকের উপর যে মিথ্যা মামলা
রয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। বিএডিসি ও ভুমি কর্তৃক সেচ
লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে যে সকল অনিয়ম দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্য হচ্ছে এবং তার সাথে যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানান।

আগামী নির্বাচন : খরচের ব্যাপারে প্রার্থীদের পথ দেখালেন ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্ত – জীম ওয়াজেদ

বিতর্কিত প্রি-পেইড বিদ্যুৎ মিটার গাইবান্ধায় স্থাপন করা যাবে না।

প্রকাশের সময়: ০৯:৫৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সেচ পাম্প মালিক সমিতি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার দুপুরে সংগঠন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সহ-সভাপতি দেবল কুমারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন

সংগঠনের উপদেষ্টা মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক আনাউর
রহমান, অর্থ সম্পাদক আহমাদুর রহমান রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক
মাহবুবুর রহমান সুমন, সদস্য আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মাহবুর মিয়া, ঋষি কেশ, হযরত আলী, তাজুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম,
আজাদুল ইসলাম আজাদ, আনিছ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সারাদেশে বিতর্কিত প্রি-প্রেইড বিদ্যুৎ মিটার
গাইবান্ধায় নেসকো লি: কর্তৃক স্থাপনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা
বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, যেগুলো এখনও সংশোধন হয়নি তা দ্রুত সংশোধন করে ওইসব বিল বাতিল করতে হবে এবং ঐ সকল গ্রাহকের উপর যে মিথ্যা মামলা
রয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। বিএডিসি ও ভুমি কর্তৃক সেচ
লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে যে সকল অনিয়ম দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্য হচ্ছে এবং তার সাথে যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানান।