বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ দেবীর বিসর্জন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার নবমী এবং দশমী উদযাপন হলো। একই দিনে তিথি হওয়ায় নবমীর পূজার পর দশমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে গতাল শনিবার। সেই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবের ইতি হচ্ছে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। এরই মধ্যে মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন দেবী দুর্গা। আর সেজন্য এতে মধ্যে আছে বিষাদের ছায়া। মণ্ডপে মণ্ডপে বেজে গেছে বিদায়ের ঘণ্টা। হাসিমুখে দেবী দুর্গাকে বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভক্তরা।

সনাতন ধর্মমতে, নবমীর পুণ্য তিথিতে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে বিশ্বে শুভ শক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন দেবী দুর্গা। নবমী তিথি শুরু হয় সন্ধিপূজা দিয়ে। তিথি অনুযায়ী সন্ধিপূজা আয়োজিত হয়েছে শুক্রবার। অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট ও নবমীর প্রথম ২৪ মিনিট সর্বমোট ৪৮ মিনিটে সন্ধিপূজা হয়। এসময় মূলত দেবী চামু-ার পূজা করা হয়। এই সময়েই দেবী দুর্গার হাতে বধ হয়েছিল মহিষাসুর, আর রাম বধ করেছিলেন রাবণকে। এই দিনই দুর্গাপূজার অন্তিম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ পরের দিন কেবল বিসর্জনের পর্ব। নবমীর রাতে উৎসবের রাত শেষ হয়। আর দশমী রাতে ম-পে ম-পে বিদায়ের ঘণ্টা বাজে। মহানবমী তিথিতে বিহিত পূজা এবং দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে ম-পে ম-পে দেবীর দুর্গার আরাধনা করেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এ দিন সকাল ৬টা থেকে হয় নবমী বিহিত পূজা। ১০৮টি বেল পাতা, আম কাঠ, ঘি দিয়ে যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে দেওয়া হয় আহুতি।
জনপ্রিয়

পরিবর্তনের ডাক নিয়ে প্রচারণায় ব্যস্ত গাইবান্ধা -২ আসনের দাড়িপাল্লার প্রার্থী আব্দুল করিম

আজ দেবীর বিসর্জন

প্রকাশের সময়: ১২:২৭:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার নবমী এবং দশমী উদযাপন হলো। একই দিনে তিথি হওয়ায় নবমীর পূজার পর দশমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে গতাল শনিবার। সেই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবের ইতি হচ্ছে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। এরই মধ্যে মর্ত্যলোক ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন দেবী দুর্গা। আর সেজন্য এতে মধ্যে আছে বিষাদের ছায়া। মণ্ডপে মণ্ডপে বেজে গেছে বিদায়ের ঘণ্টা। হাসিমুখে দেবী দুর্গাকে বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভক্তরা।

সনাতন ধর্মমতে, নবমীর পুণ্য তিথিতে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে বিশ্বে শুভ শক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন দেবী দুর্গা। নবমী তিথি শুরু হয় সন্ধিপূজা দিয়ে। তিথি অনুযায়ী সন্ধিপূজা আয়োজিত হয়েছে শুক্রবার। অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট ও নবমীর প্রথম ২৪ মিনিট সর্বমোট ৪৮ মিনিটে সন্ধিপূজা হয়। এসময় মূলত দেবী চামু-ার পূজা করা হয়। এই সময়েই দেবী দুর্গার হাতে বধ হয়েছিল মহিষাসুর, আর রাম বধ করেছিলেন রাবণকে। এই দিনই দুর্গাপূজার অন্তিম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ পরের দিন কেবল বিসর্জনের পর্ব। নবমীর রাতে উৎসবের রাত শেষ হয়। আর দশমী রাতে ম-পে ম-পে বিদায়ের ঘণ্টা বাজে। মহানবমী তিথিতে বিহিত পূজা এবং দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে ম-পে ম-পে দেবীর দুর্গার আরাধনা করেছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এ দিন সকাল ৬টা থেকে হয় নবমী বিহিত পূজা। ১০৮টি বেল পাতা, আম কাঠ, ঘি দিয়ে যজ্ঞের মাধ্যমে দেবী দুর্গার কাছে দেওয়া হয় আহুতি।