মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনা ইস্যুতে যা বললেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করার আশাপ্রকাশ করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবার মন্তব্য করলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফিরিয়ে দিতে দিল্লির ভাবনা নিয়ে।

ভারতীয় গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে এস জয়শঙ্কর বলেন, আমি একজন কূটনীতিক। তাই আমাকে কোনকিছু সম্পর্কে মন্তব্য করতে বা পুরোপুরিভাবে বিষয়টা নিয়ে অভিমত দিতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই অতিদ্রুত আমি কিছু বলতে চাই না।

এসময় প্রতিবেশি রাষ্ট্রদের সাথে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে তিনি মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক রাষ্ট্রের উদাহরণ টানেন। বলেন, গত বছরেও অনেকে ভেবেছিলো মালদ্বীপের সাথে আমাদের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে, যা পরবর্তীতে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কেও নতুন ইতিবাচক মোড় নেয়। যখন কোভিড আসলো, তাদের ভ্যাকসিন পেতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো আমাদের। ইউক্রেন যুদ্ধের দামামা বাজায় বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তখন কৃষিকাজের সার ও খাদ্য উৎপাদনেও প্রতিবশিদের সহযোগিতা করেছে ভারত। শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক দূরবস্থায় ভারতের এগিয়ে আসাটাও তাদের সেই খারাপ সময়কে দ্রুত কাটিয়ে তুলতে প্রভাব রেখেছে।

তিনি বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলো যদি পরস্পরের সাথে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখে তাহলে সেটি একটি দারুন আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। সেই অঞ্চলটিও ক্রমান্বয়ে বিকশিত হয়। এসময় চলতি দশকের প্রথমার্ধের সময়কে বেশ চ্যালেঞ্জিং আবহ হিসেবেই উল্লেখ করেন এস জয়শঙ্কর।

কালের চিঠি /এএফ

জনপ্রিয়

নারী, ভোট ও রাষ্ট্রের নৈতিকতা

শেখ হাসিনা ইস্যুতে যা বললেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময়: ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করার আশাপ্রকাশ করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবার মন্তব্য করলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফিরিয়ে দিতে দিল্লির ভাবনা নিয়ে।

ভারতীয় গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে এস জয়শঙ্কর বলেন, আমি একজন কূটনীতিক। তাই আমাকে কোনকিছু সম্পর্কে মন্তব্য করতে বা পুরোপুরিভাবে বিষয়টা নিয়ে অভিমত দিতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই অতিদ্রুত আমি কিছু বলতে চাই না।

এসময় প্রতিবেশি রাষ্ট্রদের সাথে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে তিনি মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক রাষ্ট্রের উদাহরণ টানেন। বলেন, গত বছরেও অনেকে ভেবেছিলো মালদ্বীপের সাথে আমাদের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে, যা পরবর্তীতে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কেও নতুন ইতিবাচক মোড় নেয়। যখন কোভিড আসলো, তাদের ভ্যাকসিন পেতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো আমাদের। ইউক্রেন যুদ্ধের দামামা বাজায় বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তখন কৃষিকাজের সার ও খাদ্য উৎপাদনেও প্রতিবশিদের সহযোগিতা করেছে ভারত। শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক দূরবস্থায় ভারতের এগিয়ে আসাটাও তাদের সেই খারাপ সময়কে দ্রুত কাটিয়ে তুলতে প্রভাব রেখেছে।

তিনি বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলো যদি পরস্পরের সাথে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখে তাহলে সেটি একটি দারুন আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। সেই অঞ্চলটিও ক্রমান্বয়ে বিকশিত হয়। এসময় চলতি দশকের প্রথমার্ধের সময়কে বেশ চ্যালেঞ্জিং আবহ হিসেবেই উল্লেখ করেন এস জয়শঙ্কর।

কালের চিঠি /এএফ