মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গুমের ঘটনা তদন্তে কমিশন গঠন করেছে সরকার

২০১০ সাল থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গুমের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছে সরকার। কমিটিতে দুইজন করে বিচারপতি, মানবাধিকারকর্মী এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। আগামী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।

হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীকে সভাপতি করে কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী নূর খান ও সাদ্দাম হোসেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার, জাতীয় গোয়ান্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা অধিদফতর (ডিজিএফআই), কোস্ট গার্ড ও পুলিশের বিভিন্ন বিভাগসহ দেশের আইন প্রয়োগ ও বল প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো সদস্য দ্বারা জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গুমের কারণ উদ্ঘাটনে এই তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।

কালের চিঠি / এএফ

জনপ্রিয়

নারী, ভোট ও রাষ্ট্রের নৈতিকতা

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গুমের ঘটনা তদন্তে কমিশন গঠন করেছে সরকার

প্রকাশের সময়: ০৪:০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

২০১০ সাল থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গুমের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছে সরকার। কমিটিতে দুইজন করে বিচারপতি, মানবাধিকারকর্মী এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। আগামী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।

হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীকে সভাপতি করে কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাবিলা ইদ্রিস এবং মানবাধিকারকর্মী নূর খান ও সাদ্দাম হোসেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার, জাতীয় গোয়ান্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা বাহিনী, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা অধিদফতর (ডিজিএফআই), কোস্ট গার্ড ও পুলিশের বিভিন্ন বিভাগসহ দেশের আইন প্রয়োগ ও বল প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো সদস্য দ্বারা জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গুমের কারণ উদ্ঘাটনে এই তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।

কালের চিঠি / এএফ