শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলেন জামায়াতের নবনির্বাচিত এমপি 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসনে জয়ী হওয়ার পরদিন একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জামায়াত মনোনীত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান। নির্বাচনী উত্তাপের পর সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়তে তিনি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ফারুক আলমের বাড়িতে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

 

 

১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ের পর আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান সরাসরি ফারুক আলমের বাসভবনে হাজির হন। সেখানে দুই নেতার মধ্যে প্রায় ঘন্টাখানেক সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। রাজনৈতিক ভিন্নমতের হলেও নির্বাচনের পর পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে সহযোগিতার মনোভাব ব্যক্ত করেন দুজনই।

 

সাক্ষাৎ শেষে আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান বলেন, “রাজনীতি শত্রুতা শেখায় না। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ, এখন একসাথে কাজ করার সময়।”

 

ফারুক আলমও নবনির্বাচিত এমপিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সাক্ষাৎ গাইবান্ধার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নবদিগন্তের সূচনা করেছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময় সাধারণত উত্তেজনা বা দূরত্ব তৈরি হলেও আব্দুল ওয়ারেছ প্রধানের এই উদ্যোগ শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনীতির উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হবে।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ ও কর্মীদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ দেখা গেছে। তারা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

জনপ্রিয়

“ক্ষমতার ঊর্ধ্বে মানুষের জয়”- বিমল সরকার

বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলেন জামায়াতের নবনির্বাচিত এমপি 

প্রকাশের সময়: ১০:৫৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসনে জয়ী হওয়ার পরদিন একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জামায়াত মনোনীত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান। নির্বাচনী উত্তাপের পর সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়তে তিনি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ফারুক আলমের বাড়িতে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

 

 

১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ের পর আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান সরাসরি ফারুক আলমের বাসভবনে হাজির হন। সেখানে দুই নেতার মধ্যে প্রায় ঘন্টাখানেক সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। রাজনৈতিক ভিন্নমতের হলেও নির্বাচনের পর পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে সহযোগিতার মনোভাব ব্যক্ত করেন দুজনই।

 

সাক্ষাৎ শেষে আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান বলেন, “রাজনীতি শত্রুতা শেখায় না। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ, এখন একসাথে কাজ করার সময়।”

 

ফারুক আলমও নবনির্বাচিত এমপিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সাক্ষাৎ গাইবান্ধার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নবদিগন্তের সূচনা করেছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময় সাধারণত উত্তেজনা বা দূরত্ব তৈরি হলেও আব্দুল ওয়ারেছ প্রধানের এই উদ্যোগ শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনীতির উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হবে।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ ও কর্মীদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ দেখা গেছে। তারা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।