সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রাম:৪ আসনে জামায়াত – বিএনপির প্রার্থী আপন দুই ভাই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী-চিলমারী-রাজীবপুর) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী থেকে আপন দুই ভাই মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

সোমবার বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

 

এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে আজিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি রৌমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

 

 

অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী এই আসনে তাদের প্রার্থী রৌমারী উপজেলা কমিটির সাবেক আমির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের নাম ঘোষণা করে।

 

দুই ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন এলাকার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

 

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৩৮ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৬৮ হাজার ৭১১ জন, নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৯২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) ভোটার নয়জন।

 

 

এলাকার একজন প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী বলছিলেন, “রৌমারী-চিলমারী-রাজীবপুর ইতিহাসে এমন দৃশ্য প্রথম। ভাইয়ের বিপরীতে ভাই- এটা নির্বাচনি মাঠে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।”

 

জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক বলেন, “আমার বড় ভাই বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন পেয়েছেন। যদি সত্যি মনোনয়ন পেয়ে যান, তাতে আমাকে পরাজিত করতে পারবেন না। কেননা জামায়াতের জনপ্রিয়তা এখন অনেক বেড়েছে। দুই ভাই প্রার্থী হলেও নির্বাচনে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।”

 

বিএনপির প্রার্থী আজিজুর রহমান বলেন, “আমার ছোট ভাই একসময় বিএনপি করত। আমার কারণে সে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে জামায়াতে যোগদান করে সেই দলের প্রার্থী হয়েছে।”

 

 

তিনি বলেন, “আমাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা না করলে আমার পরিচয় এবং পারিবারিক ইমেজের কারণে আমার ছোট ভাই এককভাবে নির্বাচনে সুবিধা নিতে পারত। কিন্তু আমি প্রার্থী হওয়ায় সেই সুযোগ সে পাবে না। জনগণ আমাকেই চাইছে।”

জনপ্রিয়

কুড়িগ্রাম:৪ আসনে জামায়াত – বিএনপির প্রার্থী আপন দুই ভাই

প্রকাশের সময়: ০৪:৫২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী-চিলমারী-রাজীবপুর) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী থেকে আপন দুই ভাই মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

সোমবার বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।

 

এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে আজিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি রৌমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

 

 

অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী এই আসনে তাদের প্রার্থী রৌমারী উপজেলা কমিটির সাবেক আমির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের নাম ঘোষণা করে।

 

দুই ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন এলাকার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

 

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৩৮ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৬৮ হাজার ৭১১ জন, নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৯২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) ভোটার নয়জন।

 

 

এলাকার একজন প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী বলছিলেন, “রৌমারী-চিলমারী-রাজীবপুর ইতিহাসে এমন দৃশ্য প্রথম। ভাইয়ের বিপরীতে ভাই- এটা নির্বাচনি মাঠে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।”

 

জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক বলেন, “আমার বড় ভাই বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন পেয়েছেন। যদি সত্যি মনোনয়ন পেয়ে যান, তাতে আমাকে পরাজিত করতে পারবেন না। কেননা জামায়াতের জনপ্রিয়তা এখন অনেক বেড়েছে। দুই ভাই প্রার্থী হলেও নির্বাচনে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।”

 

বিএনপির প্রার্থী আজিজুর রহমান বলেন, “আমার ছোট ভাই একসময় বিএনপি করত। আমার কারণে সে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে জামায়াতে যোগদান করে সেই দলের প্রার্থী হয়েছে।”

 

 

তিনি বলেন, “আমাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা না করলে আমার পরিচয় এবং পারিবারিক ইমেজের কারণে আমার ছোট ভাই এককভাবে নির্বাচনে সুবিধা নিতে পারত। কিন্তু আমি প্রার্থী হওয়ায় সেই সুযোগ সে পাবে না। জনগণ আমাকেই চাইছে।”