মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসন্ন দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রফতানি করবে না বাংলাদেশ

দেশীয় খামারিদের কথা মাথায় রেখে সরকার আমদানি করবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশ থেকে নতুন করে হিমায়িত গরুর গোশত আমদানির পক্ষে একটি মহল তৎপরতা শুরু করেছে। তারা নানাভাবে চাপ দিচ্ছে। আমরা কোনো গোশত আমদানি করতে চাচ্ছি না।

এ সময় তিনি জানান, এবারের দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রফতানি করা হবে না।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দফতরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের (এফএলজেএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এ দেশে এখন লাখ লাখ খামারি গবাদিপশু লালন-পালনের সাথে জড়িত। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে ২০-২৫ লাখ পশু অবিক্রিত থেকে যায়। এমন পরস্থিতিতে দাম বৃদ্ধির অজুহাত তুলে গোশত আমদানি করলে প্রথমে হয়ত কম দামে পাওয়া যাবে, কিন্তু গোশতের চাবিকাঠি চলে যেতে পারে অন্য দেশের কাছে। লাখ লাখ লোক গবাদিপশু পালন করছে। এই বাজারটা নষ্ট করে ফেললে আমাদের সমাজটা কোন অবস্থায় পড়বে এটাও চিন্তা করার বিষয়। উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে গোশতের দাম কমানোর বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা সচেতন আছি জনগণ যাতে স্বল্প ও ন্যায্যমূল্যে গোশত খেতে পারে এবং খামারিরা টিকে থাকতে পারে।’

আগামী নির্বাচন : খরচের ব্যাপারে প্রার্থীদের পথ দেখালেন ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্ত – জীম ওয়াজেদ

আসন্ন দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রফতানি করবে না বাংলাদেশ

প্রকাশের সময়: ০২:২৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

দেশীয় খামারিদের কথা মাথায় রেখে সরকার আমদানি করবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশ থেকে নতুন করে হিমায়িত গরুর গোশত আমদানির পক্ষে একটি মহল তৎপরতা শুরু করেছে। তারা নানাভাবে চাপ দিচ্ছে। আমরা কোনো গোশত আমদানি করতে চাচ্ছি না।

এ সময় তিনি জানান, এবারের দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রফতানি করা হবে না।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দফতরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের (এফএলজেএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এ দেশে এখন লাখ লাখ খামারি গবাদিপশু লালন-পালনের সাথে জড়িত। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে ২০-২৫ লাখ পশু অবিক্রিত থেকে যায়। এমন পরস্থিতিতে দাম বৃদ্ধির অজুহাত তুলে গোশত আমদানি করলে প্রথমে হয়ত কম দামে পাওয়া যাবে, কিন্তু গোশতের চাবিকাঠি চলে যেতে পারে অন্য দেশের কাছে। লাখ লাখ লোক গবাদিপশু পালন করছে। এই বাজারটা নষ্ট করে ফেললে আমাদের সমাজটা কোন অবস্থায় পড়বে এটাও চিন্তা করার বিষয়। উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে গোশতের দাম কমানোর বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা সচেতন আছি জনগণ যাতে স্বল্প ও ন্যায্যমূল্যে গোশত খেতে পারে এবং খামারিরা টিকে থাকতে পারে।’