মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১৪ দলের বৈঠক আজ

১৪ দলের সভা বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোট নেত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ১৪ দল নেতারা। ওই বৈঠকে জোটবদ্ধ নির্বাচন এবং আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১৬টি আসন ছাড়লেও এবার কমিয়ে মাত্র ছয়টি আসন ছাড়া হয় শরিকদের জন্য। এতে ক্ষুব্ধ হন জোট নেতারা। এছাড়া শরিকদের আপত্তি সত্ত্বেও ছেড়ে দেওয়া আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সরাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি আওয়ামী লীগ। ফলে ছয়টির মধ্যে মাত্র দুটি আসনে জেতেন শরিক দলের নেতারা। নির্বাচনে জয় লাভের পর আওয়ামী লীগের গঠিত সরকারেও রাখা হয়নি শরিক দলের কাউকে। জোটের শরিক নেতাদের অনেকেই বলছেন, তারা প্রাপ্য সম্মান চান। অবহেলার পাত্র হয়ে থাকতে চান না। জোটের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে জানতে চান তারা।

কালের চিঠি / আশিকুর।

আগামী নির্বাচন : খরচের ব্যাপারে প্রার্থীদের পথ দেখালেন ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্ত – জীম ওয়াজেদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১৪ দলের বৈঠক আজ

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

১৪ দলের সভা বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোট নেত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ১৪ দল নেতারা। ওই বৈঠকে জোটবদ্ধ নির্বাচন এবং আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১৬টি আসন ছাড়লেও এবার কমিয়ে মাত্র ছয়টি আসন ছাড়া হয় শরিকদের জন্য। এতে ক্ষুব্ধ হন জোট নেতারা। এছাড়া শরিকদের আপত্তি সত্ত্বেও ছেড়ে দেওয়া আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সরাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি আওয়ামী লীগ। ফলে ছয়টির মধ্যে মাত্র দুটি আসনে জেতেন শরিক দলের নেতারা। নির্বাচনে জয় লাভের পর আওয়ামী লীগের গঠিত সরকারেও রাখা হয়নি শরিক দলের কাউকে। জোটের শরিক নেতাদের অনেকেই বলছেন, তারা প্রাপ্য সম্মান চান। অবহেলার পাত্র হয়ে থাকতে চান না। জোটের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে জানতে চান তারা।

কালের চিঠি / আশিকুর।