রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একতরফা শুনানি করে অনেককেই সাজা দেয়া হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

বিরোধী দলকে রাজনীতি না করতে দিতেই নতুন করে ট্র্যাইব্যুনাল করা হচ্ছে। একতরফা শুনানি করে সাজা দেয়া হচ্ছে অনেককেই। এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১২ মে) দুপুরে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, শুধু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাজা দেযা হচ্ছে। ঠিক মতো শুনানি হয়নি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিনা শুনানিতে সাজা দিয়েছে সরকার। সাজা দিয়ে কারাগারে রেখে বিরাজ নীতিকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আদালতকে ব্যবহার করছেন ক্ষমতাসীনরা।

তিনি জানান, এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা কারাগারে আছেন। আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, দেশের রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানো। সেভাবেই রাজনীতি ও নির্বাচন করছে। তারা নির্বাচনের নামে তামাশা করছে। বিচার বিভাগ মানুষের শেষ আশা ভরসার স্থল। সেখানেই প্রতিকার পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। অর্থনৈতিক খাত গুলোতে লুটপাট চলছে।

এ সময় ফখরুল দেশে আমদানি করা পণ্য পরীক্ষা নিরিক্ষার করার দাবি জানান। বলেন, তা না হলে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

এই বিএনপি নেতার অভিযোগ, গোটা দেশে এখন নৈরাজ্য চলছে। ঘুস ছাড়া কোনো কথা নেই। দলীয় না হলে চাকরি হয় না, ন্যায় বিচার পায় না। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

 

কালের চিঠি / আলিফ

জনপ্রিয়

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গাইবান্ধা–২ আসনের এমপি আব্দুল করিমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

একতরফা শুনানি করে অনেককেই সাজা দেয়া হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময়: ০৯:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

বিরোধী দলকে রাজনীতি না করতে দিতেই নতুন করে ট্র্যাইব্যুনাল করা হচ্ছে। একতরফা শুনানি করে সাজা দেয়া হচ্ছে অনেককেই। এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১২ মে) দুপুরে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, শুধু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাজা দেযা হচ্ছে। ঠিক মতো শুনানি হয়নি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিনা শুনানিতে সাজা দিয়েছে সরকার। সাজা দিয়ে কারাগারে রেখে বিরাজ নীতিকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আদালতকে ব্যবহার করছেন ক্ষমতাসীনরা।

তিনি জানান, এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা কারাগারে আছেন। আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, দেশের রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানো। সেভাবেই রাজনীতি ও নির্বাচন করছে। তারা নির্বাচনের নামে তামাশা করছে। বিচার বিভাগ মানুষের শেষ আশা ভরসার স্থল। সেখানেই প্রতিকার পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। অর্থনৈতিক খাত গুলোতে লুটপাট চলছে।

এ সময় ফখরুল দেশে আমদানি করা পণ্য পরীক্ষা নিরিক্ষার করার দাবি জানান। বলেন, তা না হলে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।

এই বিএনপি নেতার অভিযোগ, গোটা দেশে এখন নৈরাজ্য চলছে। ঘুস ছাড়া কোনো কথা নেই। দলীয় না হলে চাকরি হয় না, ন্যায় বিচার পায় না। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

 

কালের চিঠি / আলিফ