শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে স্থানীয়দের হামলায় আহত পাঁচ, প্রধান ফটকে তালা দিল শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে পূর্বের ঘটনার জেড় ধরে সংঘর্ষ হয়েছে।এতে পাচ জন শিক্ষার্থী আহত হয়।এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

শুক্রবার (১মার্চ) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নং গেট সংলগ্ন রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে,গত মঙ্গলবার (১২ মার্চ) স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শাখা ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জড়িত ছাত্রদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ ছাড়া স্থানীয়রা বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা করতে গেলে তাদের মামলাও নেওয়া হয়নি।

এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট অবরোধ করে রাখেন এবং রেলক্রসিং এলাকায় শিক্ষার্থীদের বেধরক মারধর করেন। এ সময় লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শাহাদাত ও মায়েশাসহ আরও ৩জন দুজন শিক্ষার্থী আহত হন।

হামলার শিকার চবি শিক্ষার্থী মায়েশা বলেন, আমি ও আমার বন্ধু শাহাদাত সিএনজিতে চড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটে যাচ্ছিলাম। তখন দেখি স্থানীয়রা রেলক্রসিংয়ে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছেন, যান চলাচল করতে দিচ্ছেন না। পরে আমরা সিএনজি থেকে নেমে হেঁটে ১ নম্বর গেট যেতে চাইলে স্থানীয় পাঁচ-ছয়জন কাঠ দিয়ে শাহাদাতের ওপর হামলা করে। ওর মাথা ফেটে গেছে, পিঠে ও হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। পরে আরও ৩০-৩৫ জন এসে আমাদেরকে ধমক দিতে থাকে এবং বলে আমরা নাকি রাজনীতি করি, ছাত্রনেতা।

আহত আরেক শিক্ষার্থী শাহাদাত বলেন, আমরা তিনটার দিকে ১ নম্বর গেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গোলচত্বর থেকে সিএনজিতে উঠি। পরে অটোরিকশাটি রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন পথ আটকে আমাদেরকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন ।আমার বন্ধু মাইশার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত ও মাথার চুলও কিছুটা পুড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরা। পরে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

তবে মারধরের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন স্থানীয় বাসিন্দা বখতিয়ার উদ্দিন। তিনি বলেন, কাউকে মারধর করা হয়নি।আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য(প্রশাসন) অধ্যাপক সেকেন্দর চৌধুরী মুঠো ফোনের মাধ্যমে বলেন,অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিবে।

জনপ্রিয়

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গাইবান্ধা–২ আসনের এমপি আব্দুল করিমের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চবিতে স্থানীয়দের হামলায় আহত পাঁচ, প্রধান ফটকে তালা দিল শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের সময়: ০৩:০৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে পূর্বের ঘটনার জেড় ধরে সংঘর্ষ হয়েছে।এতে পাচ জন শিক্ষার্থী আহত হয়।এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

শুক্রবার (১মার্চ) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নং গেট সংলগ্ন রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে,গত মঙ্গলবার (১২ মার্চ) স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শাখা ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জড়িত ছাত্রদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ ছাড়া স্থানীয়রা বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা করতে গেলে তাদের মামলাও নেওয়া হয়নি।

এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট অবরোধ করে রাখেন এবং রেলক্রসিং এলাকায় শিক্ষার্থীদের বেধরক মারধর করেন। এ সময় লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শাহাদাত ও মায়েশাসহ আরও ৩জন দুজন শিক্ষার্থী আহত হন।

হামলার শিকার চবি শিক্ষার্থী মায়েশা বলেন, আমি ও আমার বন্ধু শাহাদাত সিএনজিতে চড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটে যাচ্ছিলাম। তখন দেখি স্থানীয়রা রেলক্রসিংয়ে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছেন, যান চলাচল করতে দিচ্ছেন না। পরে আমরা সিএনজি থেকে নেমে হেঁটে ১ নম্বর গেট যেতে চাইলে স্থানীয় পাঁচ-ছয়জন কাঠ দিয়ে শাহাদাতের ওপর হামলা করে। ওর মাথা ফেটে গেছে, পিঠে ও হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। পরে আরও ৩০-৩৫ জন এসে আমাদেরকে ধমক দিতে থাকে এবং বলে আমরা নাকি রাজনীতি করি, ছাত্রনেতা।

আহত আরেক শিক্ষার্থী শাহাদাত বলেন, আমরা তিনটার দিকে ১ নম্বর গেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গোলচত্বর থেকে সিএনজিতে উঠি। পরে অটোরিকশাটি রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন পথ আটকে আমাদেরকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন ।আমার বন্ধু মাইশার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত ও মাথার চুলও কিছুটা পুড়িয়ে দিয়েছেন তাঁরা। পরে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

তবে মারধরের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন স্থানীয় বাসিন্দা বখতিয়ার উদ্দিন। তিনি বলেন, কাউকে মারধর করা হয়নি।আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য(প্রশাসন) অধ্যাপক সেকেন্দর চৌধুরী মুঠো ফোনের মাধ্যমে বলেন,অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিবে।