বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরে ৭ লাখ টাকাসহ জামায়াতের কর্মী আটক

শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের নড়িয়ায় ৭ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ মাস্টার গোলাম মোস্তফা নামে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুজন মিয়া এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, নড়িয়া পৌরসভার একটি বাড়িতে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা নির্বাচনি কাজে টাকা বিতরণ করছেন- এমন খবরের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী সেখানে যায়। খবর পেয়ে তিনিও যান। সেখান থেকে টাকা বিতরণের একটি তালিকা, ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই কার্যালয়ের ভেতরে একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে পাওয়া যায়, যিনি একটি ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ওই শিক্ষক সেখানে কেন গিয়েছিলেন, তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আর টাকা ও অন্যান্য জিনিস জব্দ করা হয়েছে। নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির বিচারক ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ কারাদণ্ড দিয়েছেন।

শরীয়তপুর–২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদ হোসেনের মিডিয়া সেলের প্রধান মাসুদ কবির বলেন, নির্বাচনি এলাকায় ১৩৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সেই কেন্দ্রে আমাদের কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের যাতায়াত, সকাল ও দুপুরের খাবার বাবদ ব্যয় করার জন্য এই টাকাটি আমাদের কার্যালয়ে রাখা ছিল। সেখানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে অবৈধভাবে টাকা বিতরণ করা হচ্ছিল- এমন অভিযোগ আমরা করেছিলাম। সেদিকে নজর না দিয়ে আমাদের দুর্নাম করার জন্য অনিয়মতান্ত্রিকভাবে এ অভিযান চালানো হয়। সেখানে আমাদের অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের ওপর বিএনপির সমর্থকরা চড়াও হয়েছেন, যা দুঃখজনক।

ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাতে নড়িয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি প্রার্থী সফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াতের পক্ষে বিভিন্ন স্থানে টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

টহলরত সেনাবাহিনীকে  দেখে দ্রুত গতিতে বাইক চালাতে গিয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শরীয়তপুরে ৭ লাখ টাকাসহ জামায়াতের কর্মী আটক

প্রকাশের সময়: ০৬:৩২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের নড়িয়ায় ৭ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ মাস্টার গোলাম মোস্তফা নামে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুজন মিয়া এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, নড়িয়া পৌরসভার একটি বাড়িতে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা নির্বাচনি কাজে টাকা বিতরণ করছেন- এমন খবরের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী সেখানে যায়। খবর পেয়ে তিনিও যান। সেখান থেকে টাকা বিতরণের একটি তালিকা, ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই কার্যালয়ের ভেতরে একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে পাওয়া যায়, যিনি একটি ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ওই শিক্ষক সেখানে কেন গিয়েছিলেন, তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। আর টাকা ও অন্যান্য জিনিস জব্দ করা হয়েছে। নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির বিচারক ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ কারাদণ্ড দিয়েছেন।

শরীয়তপুর–২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদ হোসেনের মিডিয়া সেলের প্রধান মাসুদ কবির বলেন, নির্বাচনি এলাকায় ১৩৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সেই কেন্দ্রে আমাদের কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের যাতায়াত, সকাল ও দুপুরের খাবার বাবদ ব্যয় করার জন্য এই টাকাটি আমাদের কার্যালয়ে রাখা ছিল। সেখানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে অবৈধভাবে টাকা বিতরণ করা হচ্ছিল- এমন অভিযোগ আমরা করেছিলাম। সেদিকে নজর না দিয়ে আমাদের দুর্নাম করার জন্য অনিয়মতান্ত্রিকভাবে এ অভিযান চালানো হয়। সেখানে আমাদের অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের ওপর বিএনপির সমর্থকরা চড়াও হয়েছেন, যা দুঃখজনক।

ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাতে নড়িয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি প্রার্থী সফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জামায়াতের পক্ষে বিভিন্ন স্থানে টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।