রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ১২ জন আহত

গাইবান্ধায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ১২ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হামলার এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শুক্রবার এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়া দীর্ঘদিন থেকে বাদী রতনদের সাথে পার্শ্ববর্তী গাইবান্ধা শহরের গোবিন্দপুর কলেজপাড়া এলাকার মৃত শামসুজ্জোহার ছেলে রোকন মিয়ারা শত্রুতা ছিল। এরই ধারবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আসামিরা হাতে লাঠি, লোহার রড, ধারালো ছোরা, লোহার পাইপসহ দলবদ্ধ হয়ে রতনের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে আসামিরা এলোপাতাড়ি মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এতে বসতবাড়ির ভেতরে থাকা নারী বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হওয়ায় আটজনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহতরা হলেন-নাসরিন বেগম (৪৩), রোজিনা বেগম (৪৫), শিলা আক্তার (২৬), নিনা আক্তার (৩২), ফারক মিয়া (৫০), নুর মোহাম্মদ (৬২), রিফাত (২৫) ও মিলন মিয়া (৪২)।

এদের মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার নুর মোহাম্মদকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরদিন শুক্রবার আবু তাহের রতন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

বাদী আবু তাহের রতন বলেন, বৃদ্ধ চাচা, ভাই, বোন, স্ত্রী-সন্তানকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে মাথা, পায়ে জখম করে দিয়েছে। তারা এখন মৃত্যুশয্যায় রয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার চান।

তিনি বলেন, এই জমি নিয়ে মামলা করায় আদালত দুইবার আমাদের পক্ষে রায় দেন। রোকন আদালতের রায় উপেক্ষা করে আবারও একটি মামলা দেয়, যা বিচারাধীন। তারপরেও রোকন ও তাদের লোকজন হামলার এ ঘটনা ঘটালো।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। শনিবার মামলা করা হবে। খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধার পাঁচ আসনে ক্ষমতার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াত, নির্লিপ্ত জাতীয় পার্টি 

গাইবান্ধায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ১২ জন আহত

প্রকাশের সময়: ০২:২৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ১২ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হামলার এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শুক্রবার এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়া দীর্ঘদিন থেকে বাদী রতনদের সাথে পার্শ্ববর্তী গাইবান্ধা শহরের গোবিন্দপুর কলেজপাড়া এলাকার মৃত শামসুজ্জোহার ছেলে রোকন মিয়ারা শত্রুতা ছিল। এরই ধারবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আসামিরা হাতে লাঠি, লোহার রড, ধারালো ছোরা, লোহার পাইপসহ দলবদ্ধ হয়ে রতনের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে আসামিরা এলোপাতাড়ি মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এতে বসতবাড়ির ভেতরে থাকা নারী বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হওয়ায় আটজনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহতরা হলেন-নাসরিন বেগম (৪৩), রোজিনা বেগম (৪৫), শিলা আক্তার (২৬), নিনা আক্তার (৩২), ফারক মিয়া (৫০), নুর মোহাম্মদ (৬২), রিফাত (২৫) ও মিলন মিয়া (৪২)।

এদের মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার নুর মোহাম্মদকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরদিন শুক্রবার আবু তাহের রতন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

বাদী আবু তাহের রতন বলেন, বৃদ্ধ চাচা, ভাই, বোন, স্ত্রী-সন্তানকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে মাথা, পায়ে জখম করে দিয়েছে। তারা এখন মৃত্যুশয্যায় রয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার চান।

তিনি বলেন, এই জমি নিয়ে মামলা করায় আদালত দুইবার আমাদের পক্ষে রায় দেন। রোকন আদালতের রায় উপেক্ষা করে আবারও একটি মামলা দেয়, যা বিচারাধীন। তারপরেও রোকন ও তাদের লোকজন হামলার এ ঘটনা ঘটালো।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। শনিবার মামলা করা হবে। খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।