সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায় দিয়ে ‘বাবার ট্রাস্টে’ টাকা নেওয়া বিচারপতি খুরশীদ আলমকে অপসারণ

হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার (৫ নবেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের পুনর্বহাল করা অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬)-এর বিধান অনুযায়ী তাকে অপসারণ করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার তার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন বিধায় রাষ্ট্রপতি সংবিধানের পুনর্বহাল করা অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬)-এর বিধান অনুযায়ী তাকে অপসারণ করেছেন।প্রসঙ্গত, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার ২০১৭ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ২০২২ সালের শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্ব পালন করেছেন। আর এই দায়িত্ব পালনকালে গাইবান্ধার ‘ফুলছড়ি হাজী সাত্তার’ ট্রাস্টকে তিনি ‘ডোনেশনের’ নামে কোটি কোটি টাকা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এ ট্রাস্ট তার বাবা হাজী এম এ সাত্তারের নামে গঠিত। এ ছাড়া তার এলাকার বেশিরভাগ মসজিদ-মাদ্রাসা-মন্দিরে তিনি কোম্পানি কোর্ট থেকে আদেশের মাধ্যমে ডোনেশন (অনুদান) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

জনপ্রিয়

রায় দিয়ে ‘বাবার ট্রাস্টে’ টাকা নেওয়া বিচারপতি খুরশীদ আলমকে অপসারণ

প্রকাশের সময়: ০২:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার (৫ নবেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের পুনর্বহাল করা অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬)-এর বিধান অনুযায়ী তাকে অপসারণ করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার তার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন বিধায় রাষ্ট্রপতি সংবিধানের পুনর্বহাল করা অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬)-এর বিধান অনুযায়ী তাকে অপসারণ করেছেন।প্রসঙ্গত, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার ২০১৭ সালের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ২০২২ সালের শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্ব পালন করেছেন। আর এই দায়িত্ব পালনকালে গাইবান্ধার ‘ফুলছড়ি হাজী সাত্তার’ ট্রাস্টকে তিনি ‘ডোনেশনের’ নামে কোটি কোটি টাকা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। এ ট্রাস্ট তার বাবা হাজী এম এ সাত্তারের নামে গঠিত। এ ছাড়া তার এলাকার বেশিরভাগ মসজিদ-মাদ্রাসা-মন্দিরে তিনি কোম্পানি কোর্ট থেকে আদেশের মাধ্যমে ডোনেশন (অনুদান) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।