সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় পরকীয়ায় ধরা পড়ে গৃহবধূকে বিয়ে করলেন বিএনপি নেতা

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আফছার আলী এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। তিনি বাদিয়াখালী রিফাইতপুর গ্রামের মরহুম ছাদেক আলীর স্ত্রী মোছাঃ পিয়ালী বেগম-এর সাথে পরকীয়া করতে গিয়ে জনগণের হাতে ধরা পড়েছেন। এরপর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে তাদের দু’জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতরাতে মোঃ আফছার আলী ও মোছাঃ পিয়ালী বেগমকে এক ঘরে দেখতে পায় গ্রামের লোকজন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক চলছিল বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। গ্রামবাসীরা গোপন নজরদারির মাধ্যমে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে।

এলাকাবাসী জানান, তারা সন্দেহবশত সারারাত ওই ঘরের বাইরে অপেক্ষা করেন। ভোর ছয়টার দিকে ঘরের ভেতর থেকে তাদের দু’জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জানায় যে কথা বলার জন্য তারা একসাথে হয়েছিলেন। কিন্তু জনগণ তাদের এই দাবি অস্বীকার করে এবং জানায় যে তারা অনেকদিন ধরে এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

পরে জনগণের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় পুলিশকেও খবর দেওয়া হলেও, পুলিশ আসার আগেই স্থানীয়রা তাদের হাতে তুলে না দিয়ে নিজেদের উদ্যোগে তাদের বিয়ে দিয়ে দেয়।

এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। একই সাথে এটি সমাজে নৈতিকতা ও পারিবারিক সম্পর্কের পবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধায় পরকীয়ায় ধরা পড়ে গৃহবধূকে বিয়ে করলেন বিএনপি নেতা

প্রকাশের সময়: ১০:০০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আফছার আলী এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। তিনি বাদিয়াখালী রিফাইতপুর গ্রামের মরহুম ছাদেক আলীর স্ত্রী মোছাঃ পিয়ালী বেগম-এর সাথে পরকীয়া করতে গিয়ে জনগণের হাতে ধরা পড়েছেন। এরপর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে তাদের দু’জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতরাতে মোঃ আফছার আলী ও মোছাঃ পিয়ালী বেগমকে এক ঘরে দেখতে পায় গ্রামের লোকজন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক চলছিল বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। গ্রামবাসীরা গোপন নজরদারির মাধ্যমে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে।

এলাকাবাসী জানান, তারা সন্দেহবশত সারারাত ওই ঘরের বাইরে অপেক্ষা করেন। ভোর ছয়টার দিকে ঘরের ভেতর থেকে তাদের দু’জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জানায় যে কথা বলার জন্য তারা একসাথে হয়েছিলেন। কিন্তু জনগণ তাদের এই দাবি অস্বীকার করে এবং জানায় যে তারা অনেকদিন ধরে এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

পরে জনগণের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় পুলিশকেও খবর দেওয়া হলেও, পুলিশ আসার আগেই স্থানীয়রা তাদের হাতে তুলে না দিয়ে নিজেদের উদ্যোগে তাদের বিয়ে দিয়ে দেয়।

এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। একই সাথে এটি সমাজে নৈতিকতা ও পারিবারিক সম্পর্কের পবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।