সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘এস আলমের মতো সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংক লুটের নজির বিশ্বে নেই’

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, এস আলম গ্রুপ যেভাবে সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংক লুটপাট করেছে, বিশ্বে তার আর কোনো নজির নেই। আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এস আলম গ্রু‌প ও তা‌দের স্বার্থসং‌শ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংকের লেন‌দেন ঋণ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন প্রতিষ্ঠান‌টি নামে-বেনামে থাকা বি‌ভিন্ন জ‌মি-সম্পদ বি‌ক্রি করার চেষ্টা করছে। তাই রাষ্ট্রীয় স্বার্থে এই মুহূর্তে এস আলম গ্রুপের জ‌মি ও সম্পদ না কেনার পরামর্শ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ‌গভর্নর।

এই মুহূর্তে কেউ এস আলম গ্রু‌পের সম্পদ কিনলে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। কারণ, এসব সম্পদ বিক্রি করে ব্যাংক লুটের টাকা সমন্বয় করা হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে ছয়টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন এসব ব্যাংক পুনর্গঠনে মনোযোগ দিতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে রাষ্ট্রযন্ত্র ঠিক না হলে ব্যাংক সংস্কার সফল হবে না বলে মন্তব্য করেন গভর্নর।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়। এজন্য পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে। বন্যার কারণে মূল্যস্ফীতি কমানোর পরিকল্পনা কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।

 

কালের চিঠি / এএফ

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

‘এস আলমের মতো সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংক লুটের নজির বিশ্বে নেই’

প্রকাশের সময়: ১০:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, এস আলম গ্রুপ যেভাবে সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংক লুটপাট করেছে, বিশ্বে তার আর কোনো নজির নেই। আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এস আলম গ্রু‌প ও তা‌দের স্বার্থসং‌শ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংকের লেন‌দেন ঋণ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন প্রতিষ্ঠান‌টি নামে-বেনামে থাকা বি‌ভিন্ন জ‌মি-সম্পদ বি‌ক্রি করার চেষ্টা করছে। তাই রাষ্ট্রীয় স্বার্থে এই মুহূর্তে এস আলম গ্রুপের জ‌মি ও সম্পদ না কেনার পরামর্শ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ‌গভর্নর।

এই মুহূর্তে কেউ এস আলম গ্রু‌পের সম্পদ কিনলে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। কারণ, এসব সম্পদ বিক্রি করে ব্যাংক লুটের টাকা সমন্বয় করা হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, এরইমধ্যে ছয়টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন এসব ব্যাংক পুনর্গঠনে মনোযোগ দিতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে রাষ্ট্রযন্ত্র ঠিক না হলে ব্যাংক সংস্কার সফল হবে না বলে মন্তব্য করেন গভর্নর।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়। এজন্য পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে। বন্যার কারণে মূল্যস্ফীতি কমানোর পরিকল্পনা কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে।

 

কালের চিঠি / এএফ