মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কনের বাড়িতে হেলিকাপ্টার নিয়ে হাজির বর

গাইবান্ধার শান্ত এক গ্রাম হঠাৎ যেন রূপ নিল উৎসবের মেলা আকাশে ভেসে আসা হেলিকপ্টারের শব্দেই শুরু হলো এক ব্যতিক্রমী বিয়ের গল্প।

 

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুর। সাদুল্লাপুর উপজেলার হামিন্দপুর গ্রামের আকাশে দেখা যায় একটি হেলিকপ্টার। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি অবতরণ করে কনের বাড়ির কাছাকাছি গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন একটি চাতালে আর তাতেই সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য—চারদিক থেকে ছুটে আসে মানুষ, চোখে বিস্ময়, মুখে আনন্দ।

 

সেই হেলিকপ্টারেই বরবেশে হাজির হন সিলেটের কাতার প্রবাসী ইউসুফ আলী সোহেল। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল—নিজের বিয়েতে হেলিকপ্টারে চড়ে আসবেন। অবশেষে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিলেন তিনি।

 

কনে আবদিয়া আক্তার রুবাইয়ার সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে এই অভিনব আয়োজন করেন সোহেল। গ্রামের মানুষ এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেনি। ফলে মুহূর্তেই বিয়ে বাড়ি পরিণত হয় দর্শনার্থীদের ভিড়ে জমজমাট এক মিলনমেলায়।

কেউ মোবাইল ফোনে ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন—সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, পাচ্ছে ব্যাপক সাড়া।

বিয়ের পুরো আয়োজনজুড়েই ছিল আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের ছোঁয়া।

 

আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা, আর শেষে সেই হেলিকপ্টারেই কনেকে নিয়ে উড়াল দেন বর।

এ যেন শুধুই একটি বিয়ে নয়—গ্রামবাংলার বুকে লেখা এক রঙিন গল্প, যা দীর্ঘদিন মনে রাখবে স্থানীয় মানুষ।

 

কনের পরিবার জানায়, পারিবারিকভাবে রুবাইয়ার সাথে সিলেটের কাতার প্রবাসী বর সোহেলের বিয়ে ঠিক হয়। সোমবার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। বর হেলিকপ্টারে করে বরযাত্রীসহ কনের বাড়ির কাছে পৌঁছান। পরে সেখান থেকে প্রাইভেটকারে করে কনের বাড়িতে গিয়ে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বিয়েতে ছিল আড়ম্বরপূর্ণ খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন।

 

বর ইউসুফ আলী সোহেল সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার পাকিচিরি গ্রামের ইসমাইল আলী চমকের ছেলে। কনে আবদিয়া আক্তার রুবাইয়া গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের হামিন্দপুর গ্রামের ব্যবসায়ী নুরে আলম রেজার মেয়ে।

 

সুত্র: মাসুম বিল্লাহ / বার্তা ২৪

জনপ্রিয়

গোবিন্দগঞ্জে তালা ভেঙে মসজিদের দান বাক্স লুট

কনের বাড়িতে হেলিকাপ্টার নিয়ে হাজির বর

প্রকাশের সময়: ০৫:১১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার শান্ত এক গ্রাম হঠাৎ যেন রূপ নিল উৎসবের মেলা আকাশে ভেসে আসা হেলিকপ্টারের শব্দেই শুরু হলো এক ব্যতিক্রমী বিয়ের গল্প।

 

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুর। সাদুল্লাপুর উপজেলার হামিন্দপুর গ্রামের আকাশে দেখা যায় একটি হেলিকপ্টার। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি অবতরণ করে কনের বাড়ির কাছাকাছি গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন একটি চাতালে আর তাতেই সৃষ্টি হয় অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য—চারদিক থেকে ছুটে আসে মানুষ, চোখে বিস্ময়, মুখে আনন্দ।

 

সেই হেলিকপ্টারেই বরবেশে হাজির হন সিলেটের কাতার প্রবাসী ইউসুফ আলী সোহেল। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল—নিজের বিয়েতে হেলিকপ্টারে চড়ে আসবেন। অবশেষে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিলেন তিনি।

 

কনে আবদিয়া আক্তার রুবাইয়ার সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে এই অভিনব আয়োজন করেন সোহেল। গ্রামের মানুষ এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখেনি। ফলে মুহূর্তেই বিয়ে বাড়ি পরিণত হয় দর্শনার্থীদের ভিড়ে জমজমাট এক মিলনমেলায়।

কেউ মোবাইল ফোনে ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন—সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, পাচ্ছে ব্যাপক সাড়া।

বিয়ের পুরো আয়োজনজুড়েই ছিল আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের ছোঁয়া।

 

আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা, আর শেষে সেই হেলিকপ্টারেই কনেকে নিয়ে উড়াল দেন বর।

এ যেন শুধুই একটি বিয়ে নয়—গ্রামবাংলার বুকে লেখা এক রঙিন গল্প, যা দীর্ঘদিন মনে রাখবে স্থানীয় মানুষ।

 

কনের পরিবার জানায়, পারিবারিকভাবে রুবাইয়ার সাথে সিলেটের কাতার প্রবাসী বর সোহেলের বিয়ে ঠিক হয়। সোমবার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। বর হেলিকপ্টারে করে বরযাত্রীসহ কনের বাড়ির কাছে পৌঁছান। পরে সেখান থেকে প্রাইভেটকারে করে কনের বাড়িতে গিয়ে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বিয়েতে ছিল আড়ম্বরপূর্ণ খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন।

 

বর ইউসুফ আলী সোহেল সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার পাকিচিরি গ্রামের ইসমাইল আলী চমকের ছেলে। কনে আবদিয়া আক্তার রুবাইয়া গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের হামিন্দপুর গ্রামের ব্যবসায়ী নুরে আলম রেজার মেয়ে।

 

সুত্র: মাসুম বিল্লাহ / বার্তা ২৪