সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোট‌ শেষ হলেও থেমে নেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণসংযোগ

ভোট‌ শেষ হলেও থেমে নেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণসংযোভোট‌ শেষ হলেও থেমে নেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণসংযোগ

গাইবান্ধা: “নির্বাচিত হওয়ার পর এমপিদের আর খোঁজ পাওয়া যায় না”— রাজনীতিতে প্রচলিত এই কথার সম্পূর্ণ বিপরীত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে জামায়াত ইসলামী থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান। নির্বাচনে বিজয়লাভের মাত্র তিন দিন পরই তিনি নিজ এলাকা সাঘাটার বিভিন্ন গ্রামে ছুটে গেলেন মানুষের খোঁজ নিতে, তাদের সমস্যার কথা শুনতে।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ করেন। পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি।
এ সময় আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান স্থানীয়দের জীবনযাত্রা, কৃষি, রাস্তা-ঘাট, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নদীভাঙনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চান। গ্রামবাসীর একাধিক প্রতিনিধি তাকে জানান, বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদীর ভাঙন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় যুবকরা জানান, সাঘাটার কিছু গ্রামে এখনো কাঁচা রাস্তা এবং বর্ষায় তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এমপি এসব এলাকা ঘুরে নিজে দেখে বলেন,
“জনগণের কষ্ট আমি দেখলাম। এই রাস্তাগুলো উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ শুরু হবে। আপনাদের সঙ্গে সবসময় থাকব।”
গণসংযোগের এক পর্যায়ে তিনি কচুয়া ইউনিয়নের একটি চায়ের দোকানে বসে স্থানীয় কৃষক, দিনমজুর ও দোকানদারদের সাথে দীর্ঘ আলাপ করেন। তাদের বর্তমান আয়-ব্যয়ের সমস্যা ও বাজার পরিস্থিতি শোনেন।
তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন—এটা শুধু দায়িত্ব নয়, আপনাদের প্রতি আমার অঙ্গীকার। আমি মৌসুমভিত্তিক কৃষিঋণ, সারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।”

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাকে স্বাগত জানালে তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,
“ভবিষ্যৎ আপনাদের হাতে। সু-শিক্ষা ও আদর্শ নিয়ে গাইবান্ধার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে।”

দিনব্যাপী সফরের শেষে সন্ধ্যায় তিনি প্রতিবেদকে বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান। নির্বাচিত হওয়ার পর মানুষের দোরগোড়ায় না গেলে সে দায়িত্ব পালন হয় না। উন্নয়ন, সেবা, মানুষের সুখ–দুঃখ—সব কিছুর সঙ্গে আমি থাকব। নিয়মিত মাঠে কাজ করব।”

এদিকে তার এদিনব্যাপী মানুষের খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে। ভোটাররাও বলছেন, “যদি এমপি সাহেব এভাবে মাঠে থাকেন, তাহলে সাঘাটা-ফুলছড়ির উন্নয়নের গতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আব্দুল ওয়ারেছ পেয়েছিলো ৮৭ হাজার ৬১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার পেয়েছিলো ৭৩ হাজার ২৮৯ ভোট। ফলে ১৪ হাজার ৩২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ।

গাইবান্ধা: “নির্বাচিত হওয়ার পর এমপিদের আর খোঁজ পাওয়া যায় না”— রাজনীতিতে প্রচলিত এই কথার সম্পূর্ণ বিপরীত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে জামায়াত ইসলামী থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান। নির্বাচনে বিজয়লাভের মাত্র তিন দিন পরই তিনি নিজ এলাকা সাঘাটার বিভিন্ন গ্রামে ছুটে গেলেন মানুষের খোঁজ নিতে, তাদের সমস্যার কথা শুনতে।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ করেন। পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি।
এ সময় আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান স্থানীয়দের জীবনযাত্রা, কৃষি, রাস্তা-ঘাট, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নদীভাঙনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চান। গ্রামবাসীর একাধিক প্রতিনিধি তাকে জানান, বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদীর ভাঙন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় যুবকরা জানান, সাঘাটার কিছু গ্রামে এখনো কাঁচা রাস্তা এবং বর্ষায় তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এমপি এসব এলাকা ঘুরে নিজে দেখে বলেন,
“জনগণের কষ্ট আমি দেখলাম। এই রাস্তাগুলো উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ শুরু হবে। আপনাদের সঙ্গে সবসময় থাকব।”
গণসংযোগের এক পর্যায়ে তিনি কচুয়া ইউনিয়নের একটি চায়ের দোকানে বসে স্থানীয় কৃষক, দিনমজুর ও দোকানদারদের সাথে দীর্ঘ আলাপ করেন। তাদের বর্তমান আয়-ব্যয়ের সমস্যা ও বাজার পরিস্থিতি শোনেন।
তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন—এটা শুধু দায়িত্ব নয়, আপনাদের প্রতি আমার অঙ্গীকার। আমি মৌসুমভিত্তিক কৃষিঋণ, সারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।”
স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাকে স্বাগত জানালে তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,
“ভবিষ্যৎ আপনাদের হাতে। সু-শিক্ষা ও আদর্শ নিয়ে গাইবান্ধার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে।”
দিনব্যাপী সফরের শেষে সন্ধ্যায় তিনি প্রতিবেদকে বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান। নির্বাচিত হওয়ার পর মানুষের দোরগোড়ায় না গেলে সে দায়িত্ব পালন হয় না। উন্নয়ন, সেবা, মানুষের সুখ–দুঃখ—সব কিছুর সঙ্গে আমি থাকব। নিয়মিত মাঠে কাজ করব।”
এদিকে তার এদিনব্যাপী মানুষের খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে। ভোটাররাও বলছেন, “যদি এমপি সাহেব এভাবে মাঠে থাকেন, তাহলে সাঘাটা-ফুলছড়ির উন্নয়নের গতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে।”
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আব্দুল ওয়ারেছ পেয়েছিলো ৮৭ হাজার ৬১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার পেয়েছিলো ৭৩ হাজার ২৮৯ ভোট। ফলে ১৪ হাজার ৩২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ।
জনপ্রিয়

গাইবান্ধা-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপির সাথে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন জামায়াতের শুভেচ্ছা বিনিময়

ভোট‌ শেষ হলেও থেমে নেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণসংযোগ

প্রকাশের সময়: ০১:১০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভোট‌ শেষ হলেও থেমে নেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণসংযোভোট‌ শেষ হলেও থেমে নেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণসংযোগ

গাইবান্ধা: “নির্বাচিত হওয়ার পর এমপিদের আর খোঁজ পাওয়া যায় না”— রাজনীতিতে প্রচলিত এই কথার সম্পূর্ণ বিপরীত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে জামায়াত ইসলামী থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান। নির্বাচনে বিজয়লাভের মাত্র তিন দিন পরই তিনি নিজ এলাকা সাঘাটার বিভিন্ন গ্রামে ছুটে গেলেন মানুষের খোঁজ নিতে, তাদের সমস্যার কথা শুনতে।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ করেন। পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি।
এ সময় আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান স্থানীয়দের জীবনযাত্রা, কৃষি, রাস্তা-ঘাট, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নদীভাঙনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চান। গ্রামবাসীর একাধিক প্রতিনিধি তাকে জানান, বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদীর ভাঙন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় যুবকরা জানান, সাঘাটার কিছু গ্রামে এখনো কাঁচা রাস্তা এবং বর্ষায় তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এমপি এসব এলাকা ঘুরে নিজে দেখে বলেন,
“জনগণের কষ্ট আমি দেখলাম। এই রাস্তাগুলো উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ শুরু হবে। আপনাদের সঙ্গে সবসময় থাকব।”
গণসংযোগের এক পর্যায়ে তিনি কচুয়া ইউনিয়নের একটি চায়ের দোকানে বসে স্থানীয় কৃষক, দিনমজুর ও দোকানদারদের সাথে দীর্ঘ আলাপ করেন। তাদের বর্তমান আয়-ব্যয়ের সমস্যা ও বাজার পরিস্থিতি শোনেন।
তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন—এটা শুধু দায়িত্ব নয়, আপনাদের প্রতি আমার অঙ্গীকার। আমি মৌসুমভিত্তিক কৃষিঋণ, সারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।”

স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাকে স্বাগত জানালে তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,
“ভবিষ্যৎ আপনাদের হাতে। সু-শিক্ষা ও আদর্শ নিয়ে গাইবান্ধার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে।”

দিনব্যাপী সফরের শেষে সন্ধ্যায় তিনি প্রতিবেদকে বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান। নির্বাচিত হওয়ার পর মানুষের দোরগোড়ায় না গেলে সে দায়িত্ব পালন হয় না। উন্নয়ন, সেবা, মানুষের সুখ–দুঃখ—সব কিছুর সঙ্গে আমি থাকব। নিয়মিত মাঠে কাজ করব।”

এদিকে তার এদিনব্যাপী মানুষের খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে। ভোটাররাও বলছেন, “যদি এমপি সাহেব এভাবে মাঠে থাকেন, তাহলে সাঘাটা-ফুলছড়ির উন্নয়নের গতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আব্দুল ওয়ারেছ পেয়েছিলো ৮৭ হাজার ৬১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার পেয়েছিলো ৭৩ হাজার ২৮৯ ভোট। ফলে ১৪ হাজার ৩২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ।

গাইবান্ধা: “নির্বাচিত হওয়ার পর এমপিদের আর খোঁজ পাওয়া যায় না”— রাজনীতিতে প্রচলিত এই কথার সম্পূর্ণ বিপরীত দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে জামায়াত ইসলামী থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান। নির্বাচনে বিজয়লাভের মাত্র তিন দিন পরই তিনি নিজ এলাকা সাঘাটার বিভিন্ন গ্রামে ছুটে গেলেন মানুষের খোঁজ নিতে, তাদের সমস্যার কথা শুনতে।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ করেন। পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তিনি।
এ সময় আব্দুল ওয়ারেছ প্রধান স্থানীয়দের জীবনযাত্রা, কৃষি, রাস্তা-ঘাট, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নদীভাঙনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চান। গ্রামবাসীর একাধিক প্রতিনিধি তাকে জানান, বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদীর ভাঙন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় যুবকরা জানান, সাঘাটার কিছু গ্রামে এখনো কাঁচা রাস্তা এবং বর্ষায় তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এমপি এসব এলাকা ঘুরে নিজে দেখে বলেন,
“জনগণের কষ্ট আমি দেখলাম। এই রাস্তাগুলো উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ শুরু হবে। আপনাদের সঙ্গে সবসময় থাকব।”
গণসংযোগের এক পর্যায়ে তিনি কচুয়া ইউনিয়নের একটি চায়ের দোকানে বসে স্থানীয় কৃষক, দিনমজুর ও দোকানদারদের সাথে দীর্ঘ আলাপ করেন। তাদের বর্তমান আয়-ব্যয়ের সমস্যা ও বাজার পরিস্থিতি শোনেন।
তিনি বলেন, “আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন—এটা শুধু দায়িত্ব নয়, আপনাদের প্রতি আমার অঙ্গীকার। আমি মৌসুমভিত্তিক কৃষিঋণ, সারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।”
স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তাকে স্বাগত জানালে তিনি শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,
“ভবিষ্যৎ আপনাদের হাতে। সু-শিক্ষা ও আদর্শ নিয়ে গাইবান্ধার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে।”
দিনব্যাপী সফরের শেষে সন্ধ্যায় তিনি প্রতিবেদকে বলেন, “আমি এই এলাকার সন্তান। নির্বাচিত হওয়ার পর মানুষের দোরগোড়ায় না গেলে সে দায়িত্ব পালন হয় না। উন্নয়ন, সেবা, মানুষের সুখ–দুঃখ—সব কিছুর সঙ্গে আমি থাকব। নিয়মিত মাঠে কাজ করব।”
এদিকে তার এদিনব্যাপী মানুষের খোঁজ নেওয়ার উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে। ভোটাররাও বলছেন, “যদি এমপি সাহেব এভাবে মাঠে থাকেন, তাহলে সাঘাটা-ফুলছড়ির উন্নয়নের গতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে।”
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আব্দুল ওয়ারেছ পেয়েছিলো ৮৭ হাজার ৬১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার পেয়েছিলো ৭৩ হাজার ২৮৯ ভোট। ফলে ১৪ হাজার ৩২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ।