সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা-১ আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবিতে বিএনপি প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে ভোট বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম (জিয়া)।

১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ৫০ থেকে ৬০ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে সাক্ষর নেওয়া হয় এবং ফলাফল প্রকাশের শিটে ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কোন সাক্ষর ছিল না। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফলাফল পরিবর্তন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

তিনি আরও বলেন ‘ পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে ।এ ধরনের অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি এবং অবিলম্বে ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

বিএনপি প্রার্থীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করে তদন্ত করতে হবে এবং ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে গাইবান্ধা- ১ আসনের সব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করতে হবে।

 

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধা-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপির সাথে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন জামায়াতের শুভেচ্ছা বিনিময়

গাইবান্ধা-১ আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবিতে বিএনপি প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময়: ০৭:০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে ভোট বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম (জিয়া)।

১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ৫০ থেকে ৬০ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে সাক্ষর নেওয়া হয় এবং ফলাফল প্রকাশের শিটে ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কোন সাক্ষর ছিল না। এছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফলাফল পরিবর্তন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

তিনি আরও বলেন ‘ পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে ।এ ধরনের অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি এবং অবিলম্বে ২৯ গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

বিএনপি প্রার্থীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করে তদন্ত করতে হবে এবং ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে গাইবান্ধা- ১ আসনের সব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করতে হবে।

 

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদ উপস্থিত ছিলেন।