রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে বিএনপির হামলায় জামায়াত নেতা নিহত

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।

 

 

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। এর আগে দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।

 

 

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাওলানা রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জনতার মুখোমুখি’ বা ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ লাগে।

 

এতে রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।

গাইবান্ধার পাঁচ আসনে ক্ষমতার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াত, নির্লিপ্ত জাতীয় পার্টি 

শেরপুরে বিএনপির হামলায় জামায়াত নেতা নিহত

প্রকাশের সময়: ০৪:৫৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।

 

 

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। এর আগে দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

 

 

 

নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।

 

 

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাওলানা রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জনতার মুখোমুখি’ বা ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ লাগে।

 

এতে রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।