বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ বন্ধ, সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

সম্ভাব্য সামরিক হামলা নিয়ে উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।

তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। সহিংসতা তীব্র আকার ধারণের শঙ্কায় একই নির্দেশ দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া।

বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগ স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তারাও সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানবে। এরই মধ্যে কাতারের দোহায় আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সরে যেতে বলা হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মুসাভি বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে। যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত। বার্তা সংস্থা ফার্সের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মুসাভি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের আগের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও বেড়েছে।

অপরদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন, কেউ হামলা করলে তাদের জন্য অনেক চমক অপেক্ষা করছে। প্রেস টিভির উদ্ধৃতি অনুযায়ী, এক নিরাপত্তা বৈঠকে নাসিরজাদেহ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তাহলে শেষ রক্তবিন্দু ও পূর্ণ শক্তি দিয়ে দেশ রক্ষা করা হবে। হামলায় যেসব দেশ সহায়তা দেবে তারাও বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

বৈঠকে নাসিরজাদেহ উল্লেখ করেন, গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, তা মেরামত করা হয়েছে। সামরিক সক্ষমতা আরও বেড়েছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ বন্ধ, সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ সতর্কতা

প্রকাশের সময়: ০১:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

সম্ভাব্য সামরিক হামলা নিয়ে উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী।

তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। সহিংসতা তীব্র আকার ধারণের শঙ্কায় একই নির্দেশ দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া।

বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগ স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তারাও সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানবে। এরই মধ্যে কাতারের দোহায় আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সরে যেতে বলা হয়েছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মুসাভি বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে। যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত। বার্তা সংস্থা ফার্সের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মুসাভি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের আগের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও বেড়েছে।

অপরদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন, কেউ হামলা করলে তাদের জন্য অনেক চমক অপেক্ষা করছে। প্রেস টিভির উদ্ধৃতি অনুযায়ী, এক নিরাপত্তা বৈঠকে নাসিরজাদেহ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তাহলে শেষ রক্তবিন্দু ও পূর্ণ শক্তি দিয়ে দেশ রক্ষা করা হবে। হামলায় যেসব দেশ সহায়তা দেবে তারাও বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

বৈঠকে নাসিরজাদেহ উল্লেখ করেন, গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, তা মেরামত করা হয়েছে। সামরিক সক্ষমতা আরও বেড়েছে।