সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচ লাখ কর্মী নেবে ইতালি, আবেদন শুরু ২৩ অক্টোবর

ইউরোপের শিল্প ও পর্যটননির্ভর শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ ইতালি তাদের শ্রমবাজারে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটি আগামী তিন বছরে পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করছে।

এই প্রক্রিয়ার আওতায় স্পন্সর ভিসায় কর্মী নেওয়ার আবেদন শুরু হবে ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে, যা চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এই ভিসার জন্য নন-ইউরোপীয় ৩৮টি দেশের নাগরিকরা, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে, আবেদন করতে পারবেন। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার প্রক্রিয়াটি আরও কঠোর ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হয়েছে। সঠিক নিয়োগদাতা ছাড়া আবেদন করা যাবে না, এবং প্রতিটি আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে।

ইতালির শ্রমবাজারে বিশেষ করে পর্যটন, কৃষি, নির্মাণ ও শিল্প খাতে ব্যাপক জনবল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২০২৩–২০২৫ মেয়াদে ৪ লাখ ৫২ হাজার কর্মী নেওয়ার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করা হয়েছে।

২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত ‘ক্লিক ডে’ অনুষ্ঠিত হবে ১২ জানুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ১৮ ফেব্রুয়ারি। আগাম ফরম পূরণকারীরা ওই দিন সকাল ৯টায় নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন জমা দিতে পারবেন।

ইতালিতে অবস্থানরত প্রবাসীরা জানিয়েছেন, এবার আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় হওয়ায় বাংলাদেশের আবেদনকারীদের হয়রানির আশঙ্কা কম। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, দালাল চক্রের ফাঁদে না পড়ে সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।

ইতালিতে কাজের স্বপ্ন দেখা হাজারো বাংলাদেশির জন্য এই উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে, যদি তারা সঠিক তথ্য ও বৈধ প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করেন।

জনপ্রিয়

পাঁচ লাখ কর্মী নেবে ইতালি, আবেদন শুরু ২৩ অক্টোবর

প্রকাশের সময়: ০৩:০৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

ইউরোপের শিল্প ও পর্যটননির্ভর শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ ইতালি তাদের শ্রমবাজারে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটি আগামী তিন বছরে পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করছে।

এই প্রক্রিয়ার আওতায় স্পন্সর ভিসায় কর্মী নেওয়ার আবেদন শুরু হবে ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে, যা চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এই ভিসার জন্য নন-ইউরোপীয় ৩৮টি দেশের নাগরিকরা, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে, আবেদন করতে পারবেন। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার প্রক্রিয়াটি আরও কঠোর ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হয়েছে। সঠিক নিয়োগদাতা ছাড়া আবেদন করা যাবে না, এবং প্রতিটি আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে।

ইতালির শ্রমবাজারে বিশেষ করে পর্যটন, কৃষি, নির্মাণ ও শিল্প খাতে ব্যাপক জনবল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২০২৩–২০২৫ মেয়াদে ৪ লাখ ৫২ হাজার কর্মী নেওয়ার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি বাড়িয়ে ৫ লাখে উন্নীত করা হয়েছে।

২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত ‘ক্লিক ডে’ অনুষ্ঠিত হবে ১২ জানুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ১৮ ফেব্রুয়ারি। আগাম ফরম পূরণকারীরা ওই দিন সকাল ৯টায় নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন জমা দিতে পারবেন।

ইতালিতে অবস্থানরত প্রবাসীরা জানিয়েছেন, এবার আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় হওয়ায় বাংলাদেশের আবেদনকারীদের হয়রানির আশঙ্কা কম। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, দালাল চক্রের ফাঁদে না পড়ে সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।

ইতালিতে কাজের স্বপ্ন দেখা হাজারো বাংলাদেশির জন্য এই উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে, যদি তারা সঠিক তথ্য ও বৈধ প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করেন।