সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বিচার বিভাগকে কাজে লাগিয়েই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাক্তিকেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকা ছিল। বিচার বিভাগকে কাজে লাগিয়েই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মির্জা বানু ও সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি সাবেক শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আলী রিয়াজ বলেন, সংবিধানের চতুর্দশ ও পঞ্চদশ সংশোধনের মাধ্যমে কার্যত একটি নতুন সংবিধান তৈরি হয়ে গিয়েছিলো সংসদে। সেখানে জনগণের কোনো ম্যান্ডেট ছিল না। জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, এখন যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, তা হলো প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া তৈরি করা। সেই সঙ্গে ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণ বন্ধ করতে হবে। আদর্শিকভাবে এ ধরনের চিন্তা ও কাজের চর্চা করতে হবে।

অধ্যাপক রিয়াজ বলেন, শেখ হাসিনার মূল অস্ত্র ছিল শেখ মুজিব। শেখ মুজিবকে সামনে রেখে দলীয় সব কার্যক্রম সমালোচনার ঊর্ধ্বে তুলে দেয়া হয়। তাকে ঘিরে ইতিহাসকেও নতুনভাবে বদলে দেয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মির্জা বানু ও সিরাজুল ইসলাম এনডোমেন্ট ফান্ডের আওতায় তিনজন এমফিল এবং চারজন পিএইচডি (ডক্টর অফ ফিলোসফি) ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়।

 

এএফ/

জনপ্রিয়

গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সদস্যদের প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা

‘বিচার বিভাগকে কাজে লাগিয়েই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশের সময়: ০২:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাক্তিকেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকা ছিল। বিচার বিভাগকে কাজে লাগিয়েই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মির্জা বানু ও সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি সাবেক শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আলী রিয়াজ বলেন, সংবিধানের চতুর্দশ ও পঞ্চদশ সংশোধনের মাধ্যমে কার্যত একটি নতুন সংবিধান তৈরি হয়ে গিয়েছিলো সংসদে। সেখানে জনগণের কোনো ম্যান্ডেট ছিল না। জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, এখন যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, তা হলো প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া তৈরি করা। সেই সঙ্গে ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণ বন্ধ করতে হবে। আদর্শিকভাবে এ ধরনের চিন্তা ও কাজের চর্চা করতে হবে।

অধ্যাপক রিয়াজ বলেন, শেখ হাসিনার মূল অস্ত্র ছিল শেখ মুজিব। শেখ মুজিবকে সামনে রেখে দলীয় সব কার্যক্রম সমালোচনার ঊর্ধ্বে তুলে দেয়া হয়। তাকে ঘিরে ইতিহাসকেও নতুনভাবে বদলে দেয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মির্জা বানু ও সিরাজুল ইসলাম এনডোমেন্ট ফান্ডের আওতায় তিনজন এমফিল এবং চারজন পিএইচডি (ডক্টর অফ ফিলোসফি) ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হয়।

 

এএফ/