
ইসরাইলের হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও অন্তত ১০৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ।
সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ সিডনের কাছে আইন আল-দেলবে একটি হামলায় দুটি আবাসিক ভবনকে সম্পূর্ণ গুড়িয়ে গেছে এবং এতে ৩২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ঘটনাস্থলে আশ্রয় নেওয়া অনেক বাস্তুচ্যুত পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন।
লেবাননের রাজনৈতিক নেতারা ইমরায়েলি এই হামলা ও হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
যদিও ইসরাইল দাবি করছে, তারা শুধু হিজবুল্লাহর কয়েক ডজন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে।
ইসরাইলের বিবৃতিতে বলা হয়, রাস ইসা ও হোদেইদা সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্পকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এতে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি কয়েক ডজন আকাশযানও অংশ নেয়।
লেবাননের রাজধানীকে আগে ইসরাইলি আক্রমণ থেকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে দেখা হতো। তবে সরাসরি বৈরুত শহরে বোমা হামলার ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে দেশের অন্যান্য অংশের মতো বর্তমানে রাজধানী শহরও ইসরাইলি হামলার অধীনে রয়েছে।
বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যার পর রোববার ইসরাইলি সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর সিনিয়র রাজনৈতিক কর্মকর্তা শেখ নাবিল কাউককেও হত্যা করে।
গত বছরের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইল হামলা চালালে হামাসের প্রতি সমর্থন জানায় হিজবুল্লাহ। ইসরাইলে হামলা শুরু করে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠনটি।
তবে ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর হিজবুল্লাহর পেজার ও ওয়াকিটকিতে হামলার মাধ্যমে লেবাননে ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরাইল।
কালের চিঠি/কেএনকে
কালের চিঠি ডেস্ক 















