মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে ইলিশ চেয়ে চিঠি দিলো ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

 

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি করা হয় ইলিশ মাছ। তবে এবার তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় দেশটির ব্যবসায়ীরা ইলিশ চেয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। ইলিশ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে আবেদন করেছে ফিস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন।

 

এ ব্যাপারে অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আনোয়ার মাকসুদ বলেন, আমরা প্রত্যেক বছর পূজোর আগে একটা চিঠি দিই। যেন বাংলাদেশ থেকে পূজোর আগে ইলিশ পাঠান। এই বছর আগস্টে তো ঝামেলা হলো বাংলাদেশে। সেই কারণে আমরা আগস্ট মাসে চিঠি দিইনি। এখন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে বলে আমরা একটা আবেদন করেছি।

 

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন দফতরে ইমেইল পাঠিয়েছি। কমার্স সচিব, অ্যাডভাইজার তৌহিদ সাহেব সবাইকে চিঠি পাঠিয়েছি যাতে প্রত্যেক বছরের মত এ বছরও পূজো উপলক্ষে ওনারা আমাদের ইলিশ দেন।

 

আনোয়ার মাকসুদ বলেন, বাংলাদেশের ইলিশ না আসায় বাজারে ইতিমধ্যেই চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দামও কিছুটা বেশি আছে। যে মাছ হাজার বারোশো রুপিতে বিক্রি হয়, সেই মাছ দেড় থেকে দুই হাজার রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া এপারের বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের বরাবর একটা চাহিদা আছে। দাম বেশি হলেও ক্রেতারা কেনে। আমরা আশা করি এই ঝামেলার মধ্যেও পূজোর সময় ওনারা আমাদের ইলিশ দেবেন। বাঙালির পাতে ইলিশ থাকবে না সেটা ভাবাই যায় না।

 

 

 

কালের চিঠি /এএফ

জনপ্রিয়

দক্ষ প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মজীবন গঠনে গাইবান্ধায় ASSET প্রকল্পের চাকরি মেলা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে ইলিশ চেয়ে চিঠি দিলো ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের সময়: ০৩:২৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে রফতানি করা হয় ইলিশ মাছ। তবে এবার তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় দেশটির ব্যবসায়ীরা ইলিশ চেয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। ইলিশ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের কাছে আবেদন করেছে ফিস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন।

 

এ ব্যাপারে অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আনোয়ার মাকসুদ বলেন, আমরা প্রত্যেক বছর পূজোর আগে একটা চিঠি দিই। যেন বাংলাদেশ থেকে পূজোর আগে ইলিশ পাঠান। এই বছর আগস্টে তো ঝামেলা হলো বাংলাদেশে। সেই কারণে আমরা আগস্ট মাসে চিঠি দিইনি। এখন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। সবকিছু স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে বলে আমরা একটা আবেদন করেছি।

 

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন দফতরে ইমেইল পাঠিয়েছি। কমার্স সচিব, অ্যাডভাইজার তৌহিদ সাহেব সবাইকে চিঠি পাঠিয়েছি যাতে প্রত্যেক বছরের মত এ বছরও পূজো উপলক্ষে ওনারা আমাদের ইলিশ দেন।

 

আনোয়ার মাকসুদ বলেন, বাংলাদেশের ইলিশ না আসায় বাজারে ইতিমধ্যেই চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দামও কিছুটা বেশি আছে। যে মাছ হাজার বারোশো রুপিতে বিক্রি হয়, সেই মাছ দেড় থেকে দুই হাজার রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া এপারের বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের বরাবর একটা চাহিদা আছে। দাম বেশি হলেও ক্রেতারা কেনে। আমরা আশা করি এই ঝামেলার মধ্যেও পূজোর সময় ওনারা আমাদের ইলিশ দেবেন। বাঙালির পাতে ইলিশ থাকবে না সেটা ভাবাই যায় না।

 

 

 

কালের চিঠি /এএফ