মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার আন্দোলন করতে গিয়ে তারা দেশের সরকার হলেন

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তারা দু’জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

 

জানা যাচ্ছে, নাহিদ ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে, আসিফ মাহমুদ ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

 

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে গণমাধ্যমের বেশ পরিচিতি পান এই দুই শিক্ষার্থী। কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম দফায় কারফিউ জারি করার পর এই দু’জনকেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

 

এরপর রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্য কয়েকজন সমন্বয়কের সাথে তাদেরও তুলে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা। পরে তাদের দিয়ে একটি ভিডিও বার্তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করা হয়।

 

 

কিন্তু সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে তারা আবার আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং এর ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা করেন।

সহিংসতায় রূপ নেয়া এই আন্দোলনের চাপে ৫ অগাস্ট গণভবন ঘেরাও করতে যায় ছাত্র-জনতা। বিক্ষোভের মুখে সেদিনই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাহ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।

 

নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামের একটি ছাত্রসংগঠনের নেতা। নাহিদ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আর আসিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক।

 

মাহমুদ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের ছাত্রসংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা ছিলেন।

জনপ্রিয়

দক্ষ প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মজীবন গঠনে গাইবান্ধায় ASSET প্রকল্পের চাকরি মেলা

সরকারি চাকরির কোটা সংস্কার আন্দোলন করতে গিয়ে তারা দেশের সরকার হলেন

প্রকাশের সময়: ০৭:৫১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তারা দু’জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

 

জানা যাচ্ছে, নাহিদ ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে, আসিফ মাহমুদ ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

 

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে গণমাধ্যমের বেশ পরিচিতি পান এই দুই শিক্ষার্থী। কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম দফায় কারফিউ জারি করার পর এই দু’জনকেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

 

এরপর রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্য কয়েকজন সমন্বয়কের সাথে তাদেরও তুলে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা। পরে তাদের দিয়ে একটি ভিডিও বার্তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করা হয়।

 

 

কিন্তু সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে তারা আবার আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং এর ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা করেন।

সহিংসতায় রূপ নেয়া এই আন্দোলনের চাপে ৫ অগাস্ট গণভবন ঘেরাও করতে যায় ছাত্র-জনতা। বিক্ষোভের মুখে সেদিনই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাহ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।

 

নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামের একটি ছাত্রসংগঠনের নেতা। নাহিদ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আর আসিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক।

 

মাহমুদ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের ছাত্রসংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা ছিলেন।