বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেমরায় বাবাকে ছুরিকাঘাতে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

রাজধানীর ডেমরার স্টাফ কোয়াটার এলাকায় ছেলের ছুরিকাঘাতে উমেশ সরকার (৬৫) নামের একজনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর থেকে ছেলে বিষ্ণু সরকার পলাতক রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) বেলা পৌনে বারোটার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উমেশ সরকারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত উমেশের নাতি অঙ্গন জানান, তার নানা উমেশ সরকার সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। সকালে মামা বিষ্ণু সরকারের সাথে কোনো এক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি ছুরি দিয়ে বাবার বুকের বাঁপাশে আঘাত করে। পরে বিষ্ণু সরকার পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তারা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ‍মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, তার মামা একটি গাড়ির গ্যারেজে কাজ করে এবং মাদকসেবী। এরআগেও তিনি দুটি বিয়ে করেছে। তবে কী কারণে তার নানাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে সেটি জানাতে পারেননি তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, প্রথমে উমেশের স্বজনরা বলেছিল, সে পড়ে গিয়ে অচেতন হয়ে যায়। তবে ইসিজি করার সময় তার বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার স্বজনরা বিষয়টি প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে জানায় ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি আহত হয়েছিলেন।

পুলিশের এই ইনচার্জ জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ডেমরা থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

 

কালের চিঠি / আলিফ

জনপ্রিয়

নারী, ভোট ও রাষ্ট্রের নৈতিকতা

ডেমরায় বাবাকে ছুরিকাঘাতে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

প্রকাশের সময়: ০৩:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

রাজধানীর ডেমরার স্টাফ কোয়াটার এলাকায় ছেলের ছুরিকাঘাতে উমেশ সরকার (৬৫) নামের একজনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর থেকে ছেলে বিষ্ণু সরকার পলাতক রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) বেলা পৌনে বারোটার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উমেশ সরকারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত উমেশের নাতি অঙ্গন জানান, তার নানা উমেশ সরকার সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। সকালে মামা বিষ্ণু সরকারের সাথে কোনো এক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি ছুরি দিয়ে বাবার বুকের বাঁপাশে আঘাত করে। পরে বিষ্ণু সরকার পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তারা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ‍মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, তার মামা একটি গাড়ির গ্যারেজে কাজ করে এবং মাদকসেবী। এরআগেও তিনি দুটি বিয়ে করেছে। তবে কী কারণে তার নানাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে সেটি জানাতে পারেননি তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, প্রথমে উমেশের স্বজনরা বলেছিল, সে পড়ে গিয়ে অচেতন হয়ে যায়। তবে ইসিজি করার সময় তার বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। তার স্বজনরা বিষয়টি প্রথমে স্বীকার না করলেও পরে জানায় ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি আহত হয়েছিলেন।

পুলিশের এই ইনচার্জ জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ডেমরা থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

 

কালের চিঠি / আলিফ