সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়লেও মানি এক্সচেঞ্জলোতে বেড়েছে ৯ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা। ডলারের সঙ্গে অন্য মুদ্রায়ও এর প্রভাব পড়েছে কার্ব মার্কেটে বা খোলাবাজারে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) রাজধানীর ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল এলাকার মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব এলাকাগুলোতে বুধবার প্রতি ডলার কেনার রেট ছিল ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা, বিক্রি হয়েছে ১১৬ টাকায়। বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা। আর কেনার ক্ষেত্রে এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো যে যার মতো করে দর ঠিক করে দিচ্ছে।

খোলাবাজারের পাশাপাশি ব্যাংকের এলসি খোলার দামও বেড়েছে। বুধবার (৮ মে) ১১৫ টাকায় এলসি খুলেছিল যেসব ব্যাংক তারাও আজ বৃহস্পতিবার ১১৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১১৮ টাকা দর নিচ্ছে।

মানি এক্সচেঞ্জের লোকজন জানান, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা এখনো সিদ্ধান্তই নিতে পারিনি কত দামে বিক্রি করবো। যদি কেউ কিনতে চায় তাহলে এক দাম লাগবে ১২৫ টাকা।’

এদিকে ডলারের সঙ্গে অন্য মুদ্রা বিনিময় দামও বেশি চাওয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ মানি একচেঞ্জের কর্মকর্তারা বলেন, ‘ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় অন্য মুদ্রার দামও বেড়েছে।

বুধবার পর্যন্ত ভারতীয় মুদ্রা এক টাকা ৪০ পয়সা ছিল, আজ বৃহস্পতিবার এক টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। অন্য দেশের মুদ্রার দামও বাড়িয়েছেন তারা।

কালের চিঠি / আশিকুর।

আগামী নির্বাচন : খরচের ব্যাপারে প্রার্থীদের পথ দেখালেন ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্ত – জীম ওয়াজেদ

প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা

প্রকাশের সময়: ১২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়লেও মানি এক্সচেঞ্জলোতে বেড়েছে ৯ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা। ডলারের সঙ্গে অন্য মুদ্রায়ও এর প্রভাব পড়েছে কার্ব মার্কেটে বা খোলাবাজারে।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) রাজধানীর ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল এলাকার মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব এলাকাগুলোতে বুধবার প্রতি ডলার কেনার রেট ছিল ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা, বিক্রি হয়েছে ১১৬ টাকায়। বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা। আর কেনার ক্ষেত্রে এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো যে যার মতো করে দর ঠিক করে দিচ্ছে।

খোলাবাজারের পাশাপাশি ব্যাংকের এলসি খোলার দামও বেড়েছে। বুধবার (৮ মে) ১১৫ টাকায় এলসি খুলেছিল যেসব ব্যাংক তারাও আজ বৃহস্পতিবার ১১৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১১৮ টাকা দর নিচ্ছে।

মানি এক্সচেঞ্জের লোকজন জানান, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা এখনো সিদ্ধান্তই নিতে পারিনি কত দামে বিক্রি করবো। যদি কেউ কিনতে চায় তাহলে এক দাম লাগবে ১২৫ টাকা।’

এদিকে ডলারের সঙ্গে অন্য মুদ্রা বিনিময় দামও বেশি চাওয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ মানি একচেঞ্জের কর্মকর্তারা বলেন, ‘ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় অন্য মুদ্রার দামও বেড়েছে।

বুধবার পর্যন্ত ভারতীয় মুদ্রা এক টাকা ৪০ পয়সা ছিল, আজ বৃহস্পতিবার এক টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। অন্য দেশের মুদ্রার দামও বাড়িয়েছেন তারা।

কালের চিঠি / আশিকুর।