সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অগ্রগতি কতদূর?

ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত বেশ কিছু জায়গায় পিলারে বসানো হয়েছে ভায়াডাক্ট। কর্তৃপক্ষ বলছে, সার্বিক অগ্রগতি ৪০ ভাগ; পুরো প্রকল্প ২০২৬ সালে শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও আশুলিয়া-ধউর অংশ চালু হবে আগামী বছরই (২০২৫ সালে)।

ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

বিমানবন্দর হয়ে আব্দুল্লাহপুর, ধউর ও আশুলিয়া হয়ে বাইপাইল — বলতে গেলে ঢাকার দুই প্রান্তে তৈরি হবে নতুন সংযোগ। ২৪ কিলোমিটার এ উড়াল সড়ক যুক্ত হবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে। তৈরি হবে মূল শহরকে নিচে রেখে সাভার থেকে চিটাগাং রোড পর্যন্ত সরাসরি সংযোগ।

শুরুর অংশ বিমনবন্দর থেকে আমুলিয়া পর্যন্ত পিলার উঠে গেছে। এ প্রকল্প হলে ধউর-আশুলিয়া মূল সড়ক তুলে দিয়ে হবে উড়াল পথ। এ অংশের দুই প্রান্তে আসা-যাওয়ার আলাদা দুটি লেন তৈরি হলেই উঠবে মূল সড়কের পিলার। এরই মধ্যে এ সংযোগ সড়কে বসে গেছে ভায়াডাক্ট। লক্ষ্য, আসছে বছরেই এ পথ খুলে দেয়ার।

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন খান সময় সংবাদকে বলেন, ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত যে দুটি সেতু আছে, সেগুলো আগামী মার্চের মধ্যে শেষ করবো। তখন এদিক দিয়ে গাড়িগুলো চলাচল করবে। তারপর আমরা মূল সেতুর বাকি কাজ করবো।

এদিকে, আব্দুল্লাপুর অংশেও এক একে উঠতে শুরু করেছে একেকটি পিলার। আবার যেখানে পিলারের কাজ শেষ সেখানে বসানো হচ্ছে গার্ডার। আটটি করে গার্ডারে ঢালাই দিয়েই তৈরি হবে এ উড়াল সড়ক।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ১৪ হাজার গার্ডার তৈরি করতে হবে। গার্ডার তৈরি হয়ে গেলে ৩ মাসের বেশি রাখা যায় না। সেই হিসাব করেই আমরা গার্ডার তৈরি করছি।

 

কালের চিঠি / কনক

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অগ্রগতি কতদূর?

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত বেশ কিছু জায়গায় পিলারে বসানো হয়েছে ভায়াডাক্ট। কর্তৃপক্ষ বলছে, সার্বিক অগ্রগতি ৪০ ভাগ; পুরো প্রকল্প ২০২৬ সালে শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও আশুলিয়া-ধউর অংশ চালু হবে আগামী বছরই (২০২৫ সালে)।

ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

বিমানবন্দর হয়ে আব্দুল্লাহপুর, ধউর ও আশুলিয়া হয়ে বাইপাইল — বলতে গেলে ঢাকার দুই প্রান্তে তৈরি হবে নতুন সংযোগ। ২৪ কিলোমিটার এ উড়াল সড়ক যুক্ত হবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে। তৈরি হবে মূল শহরকে নিচে রেখে সাভার থেকে চিটাগাং রোড পর্যন্ত সরাসরি সংযোগ।

শুরুর অংশ বিমনবন্দর থেকে আমুলিয়া পর্যন্ত পিলার উঠে গেছে। এ প্রকল্প হলে ধউর-আশুলিয়া মূল সড়ক তুলে দিয়ে হবে উড়াল পথ। এ অংশের দুই প্রান্তে আসা-যাওয়ার আলাদা দুটি লেন তৈরি হলেই উঠবে মূল সড়কের পিলার। এরই মধ্যে এ সংযোগ সড়কে বসে গেছে ভায়াডাক্ট। লক্ষ্য, আসছে বছরেই এ পথ খুলে দেয়ার।

আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন খান সময় সংবাদকে বলেন, ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত যে দুটি সেতু আছে, সেগুলো আগামী মার্চের মধ্যে শেষ করবো। তখন এদিক দিয়ে গাড়িগুলো চলাচল করবে। তারপর আমরা মূল সেতুর বাকি কাজ করবো।

এদিকে, আব্দুল্লাপুর অংশেও এক একে উঠতে শুরু করেছে একেকটি পিলার। আবার যেখানে পিলারের কাজ শেষ সেখানে বসানো হচ্ছে গার্ডার। আটটি করে গার্ডারে ঢালাই দিয়েই তৈরি হবে এ উড়াল সড়ক।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ১৪ হাজার গার্ডার তৈরি করতে হবে। গার্ডার তৈরি হয়ে গেলে ৩ মাসের বেশি রাখা যায় না। সেই হিসাব করেই আমরা গার্ডার তৈরি করছি।

 

কালের চিঠি / কনক