সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবির পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ড

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একটি পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কিছু ঔষধি গাছ পুড়ে গেলেও মানুষের কোন ধরনের ক্ষয় ক্ষতি হয়নি।

আজ শুক্রবার(১ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভারমেন্টাল সাইন্স ইনস্টিটিউটের পিছনের পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডিকে আগুন নেভাতে দেখা যায়। এ বিষয়ে চবি সহকারী প্রক্টর সৌরভ সাহা জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার পিছনে আমরা প্রাথমিকভাবে তিনটি কারণ অনুমান করতে পেরেছি। সেগুলো হলো- বসন্তকাল চলায় প্রচুর বাতাস হচ্ছে,অনেকেই আবর্জনা পুড়ানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে সেখান থেকে পাতা বা অন্য কিছু উড়ে এসে আগুন লাগতে পারে।

আবার চট্টগ্রামের স্থানীয়রা পাহাড়িরা বিভিন্ন ধরনের আদা বা শাক সবজি চাষ করে। তারাও পাহাড় পরিষ্কার করার জন্য আগুন লাগাতে পারে।

এছাড়াও একটি বিশেষ মহল ভর্তি পরীক্ষা কে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং আমাদের মনোযোগকে অন্যদিকে নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে পাহাড়ে আগুন লাগাতে পারে।

প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্ক জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন,”আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং হাটহাজারীর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের তৎপরতা এবং নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।”

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত কমিটি গঠন করি নাই,প্রক্টোরিয়াল বডি নিজেরাই জানার চেষ্টা করছে,পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হবে।

ফুয়াদ(চবি)

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

চবির পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ড

প্রকাশের সময়: ০২:৪০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একটি পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কিছু ঔষধি গাছ পুড়ে গেলেও মানুষের কোন ধরনের ক্ষয় ক্ষতি হয়নি।

আজ শুক্রবার(১ মার্চ) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভারমেন্টাল সাইন্স ইনস্টিটিউটের পিছনের পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডিকে আগুন নেভাতে দেখা যায়। এ বিষয়ে চবি সহকারী প্রক্টর সৌরভ সাহা জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগুন লাগার পিছনে আমরা প্রাথমিকভাবে তিনটি কারণ অনুমান করতে পেরেছি। সেগুলো হলো- বসন্তকাল চলায় প্রচুর বাতাস হচ্ছে,অনেকেই আবর্জনা পুড়ানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে সেখান থেকে পাতা বা অন্য কিছু উড়ে এসে আগুন লাগতে পারে।

আবার চট্টগ্রামের স্থানীয়রা পাহাড়িরা বিভিন্ন ধরনের আদা বা শাক সবজি চাষ করে। তারাও পাহাড় পরিষ্কার করার জন্য আগুন লাগাতে পারে।

এছাড়াও একটি বিশেষ মহল ভর্তি পরীক্ষা কে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং আমাদের মনোযোগকে অন্যদিকে নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে পাহাড়ে আগুন লাগাতে পারে।

প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্ক জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন,”আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং হাটহাজারীর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের তৎপরতা এবং নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় আগুন নিভাতে সক্ষম হই।”

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত কমিটি গঠন করি নাই,প্রক্টোরিয়াল বডি নিজেরাই জানার চেষ্টা করছে,পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হবে।

ফুয়াদ(চবি)