রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষককের স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলে তার স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

 

আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন করে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

 

আন্দোলনরত রসায়ন বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির এক শিক্ষার্থী কালের চিঠিকে বলেন, ” বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের কাছে ছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার হবে এটা কখনোই সমীচীন নয়।আমরা এই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধনে নেমেছি। তাকে বিভাগের সকল কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও এখনো স্থায়ী বহিষ্কার বা মামলা কোনটিই করা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা না হয় আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

 

 

একই শ্রেণির ফাহিম শাহরিয়ার নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের দুইটি দাবি সেগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটা মামলা করবে আর তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এর সুষ্ঠু বিচার না পাই আন্দোলন চালিয়ে যাব।

 

তবে এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.দেবাশীষ পালিত বলেন, “যতদিন পর্যন্ত তদন্তের কাজ শেষ না হয় ততদিন পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।”

 

উল্লেখ্য, গত বুধবার(৩১জানুয়ারি) দুপুরে উপাচার্য শিরীণ আখতারের কাছে এক শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের এক অধ্যাপক সম্পর্কে লিখিতভাবে যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেন। এর পর থেকে সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

 

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগটি অস্বীকার করে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে আখ্যা দিয়েছেন ।এছাড়াও ৩১ বছরের শিক্ষকতার জীবনে এ ধরনের কাজের সাথে বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই বলে তিনি দাবি করেন।

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিক্ষককের স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

প্রকাশের সময়: ০৯:০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলে তার স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

 

আজ রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন করে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

 

আন্দোলনরত রসায়ন বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির এক শিক্ষার্থী কালের চিঠিকে বলেন, ” বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের কাছে ছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার হবে এটা কখনোই সমীচীন নয়।আমরা এই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধনে নেমেছি। তাকে বিভাগের সকল কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও এখনো স্থায়ী বহিষ্কার বা মামলা কোনটিই করা হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা না হয় আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

 

 

একই শ্রেণির ফাহিম শাহরিয়ার নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের দুইটি দাবি সেগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটা মামলা করবে আর তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এর সুষ্ঠু বিচার না পাই আন্দোলন চালিয়ে যাব।

 

তবে এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.দেবাশীষ পালিত বলেন, “যতদিন পর্যন্ত তদন্তের কাজ শেষ না হয় ততদিন পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষককে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।”

 

উল্লেখ্য, গত বুধবার(৩১জানুয়ারি) দুপুরে উপাচার্য শিরীণ আখতারের কাছে এক শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের এক অধ্যাপক সম্পর্কে লিখিতভাবে যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেন। এর পর থেকে সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা।

 

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগটি অস্বীকার করে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে আখ্যা দিয়েছেন ।এছাড়াও ৩১ বছরের শিক্ষকতার জীবনে এ ধরনের কাজের সাথে বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই বলে তিনি দাবি করেন।