ইসরায়েলের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে মঙ্গলবার রাতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এরমধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু ছিল নেভাতিম বিমান ঘাঁটি। এ ঘাঁটিতে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রয়েছে।
হামলার একদিন পর, বুধবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। আইডিএফ জানায়, কয়েকটি মিসাইল বিমান ঘাঁটির ভেতরে আঘাত হানলেও; কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি নেই। তবে, কোন ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে মিসাইল সেটি প্রকাশ করেনি আইডিএফ।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন হামলার ভিডিও বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, নেভাতিম ঘাঁটিতে অন্তত কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। যেগুলো একের পর এক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে দেখা গেছে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তারা যে দুটি ভিডিও বিশ্লেষণ করেছে সেগুলোর মধ্যে একটি ধারণ করা হয়েছে আরাত আন-নাকাব শহর থেকে। এটি বিমান ঘাঁটির ঠিক দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। ভিডিওতে যেসব ভবন দেখা গেছে; সেগুলোর সঙ্গে পুরোনো ছবির সাদৃশ্যতা খুঁজে পেয়ে সিএনএন নিশ্চিত করেছে; ভিডিওটি ঘাঁটির পাশ থেকেই ধারণ করা হয়েছে।
ভিডিওতে বেশ কয়েকটি রকেটের ধোঁয়ার রেখা বিমানঘাঁটির দিকে পড়তে দেখা যায়। পেছনে সাইরেন বাজার শব্দ শোনা যায়। এরপর উভয় ভিডিওতেই ঘাঁটির কাছে একটি ব্যাটারি থেকে একটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যেতে দেখা যায়, যা ফ্রেমের বাইরে চলে যায়।
এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হানতে শুরু করলে এবং বিস্ফোরিত হলে একটি ভিডিওতে বিমানঘাঁটির একটি কন্ট্রোল টাওয়ার দেখা যায়। পুরো ঘাঁটির ওপর দিয়ে ধোঁয়া উড়তে থাকে। বিস্ফোরণের বেশি বেশি শব্দ শোনা যায়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার, ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে অন্তত ২০০ মিসাইল ছোঁড়ে, ইরান। দাবি- ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই সফলভাবে আঘাত হেনেছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি ইসরায়েল।
কালের চিঠি /এএফ
প্রকাশক ও সম্পাদক: বিমল কুমার সরকার নির্বাহী সম্পাদক: তাসলিমুল হাসান সিয়াম বার্তা সম্পাদক: শামসুর রহমান হৃদয়। সম্পাদকীয় কার্যালয়: তুলশীঘাট (সাদুল্লাপুর রোড), গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা-৫৭০০
© All Rights Reserved © Kaler Chithi