সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাঁচা বাজারে অস্থিরতা কমেনি, অসহায় ক্রেতারা

রাজধানীর কাঁচামরিচের বাজারে অস্থিরতা কমেনি। বৃহস্পতিবার স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হলেও রাজধানীর বাজারে তার প্রভাব নেই। মান ভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। টমোটোর দামও উর্ধ্বমুখী। বিক্রেতাদের দাবি, যোগান বাড়লে দামে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তবে বিভিন্ন ধরণের সবজির দর কিছুটা কমছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি বেগুন ও পেপের দাম ১০ টাকা কমে বিক্রি করছে ৭০ টাকা দরে। ঢেঁড়স, লাউ, ফুলকপির দামও কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, এখনও তা হাতের নাগালে আসেনি।

এক ক্রেতা বলেন, দাম এখনও অনেক বেশি। অন্যান্য বছর এই সময় এতো দাম থাকে না। গ্রামের তুলনায় রাজধানীতে দাম কয়েকগুণ বেশি। এমনটি তো হতে পারে না।

এক বিক্রেতা বলেন, বাজারে পণ্যের ঘাটতি রয়েছে। পণ্যের সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে। আমাদেরকেও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সেজন্য সবকিছুর দাম একটু বেশিই।

দেশি জাতের পেঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। রাজধানীতে শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি। তবে আমদানি জাতের যোগান নেই বললেই চলে।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

কাঁচা বাজারে অস্থিরতা কমেনি, অসহায় ক্রেতারা

Update Time : ০৪:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

রাজধানীর কাঁচামরিচের বাজারে অস্থিরতা কমেনি। বৃহস্পতিবার স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হলেও রাজধানীর বাজারে তার প্রভাব নেই। মান ভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। টমোটোর দামও উর্ধ্বমুখী। বিক্রেতাদের দাবি, যোগান বাড়লে দামে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তবে বিভিন্ন ধরণের সবজির দর কিছুটা কমছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি বেগুন ও পেপের দাম ১০ টাকা কমে বিক্রি করছে ৭০ টাকা দরে। ঢেঁড়স, লাউ, ফুলকপির দামও কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, এখনও তা হাতের নাগালে আসেনি।

এক ক্রেতা বলেন, দাম এখনও অনেক বেশি। অন্যান্য বছর এই সময় এতো দাম থাকে না। গ্রামের তুলনায় রাজধানীতে দাম কয়েকগুণ বেশি। এমনটি তো হতে পারে না।

এক বিক্রেতা বলেন, বাজারে পণ্যের ঘাটতি রয়েছে। পণ্যের সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে। আমাদেরকেও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সেজন্য সবকিছুর দাম একটু বেশিই।

দেশি জাতের পেঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। রাজধানীতে শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি। তবে আমদানি জাতের যোগান নেই বললেই চলে।

কালের চিঠি / আলিফ