শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এএজেডএম জাহিদ হোসেন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ম্যাডাম সিসিইউতে ছিলেন। মেডিকেল বোর্ড ওনাকে এখন কেবিনে নিয়ে এসেছে। কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ওনার চিকিৎসা চলছে।’

বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। ৭৯ বছর বয়সি খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। সেখানে তাকে সিসিইউ রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিন দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং দেশের বাইরে না যাওয়ার শর্তে ২০২০ সালের মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। তার সেই সাময়িক মুক্তির মেয়াদ প্রতি ছয় মাস পরপর বাড়ানো হয়।

কালের চিঠি / আশিকুর।

Tag :

সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

Update Time : ০৫:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এএজেডএম জাহিদ হোসেন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ম্যাডাম সিসিইউতে ছিলেন। মেডিকেল বোর্ড ওনাকে এখন কেবিনে নিয়ে এসেছে। কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ওনার চিকিৎসা চলছে।’

বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। ৭৯ বছর বয়সি খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।

সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। সেখানে তাকে সিসিইউ রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিন দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিজের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং দেশের বাইরে না যাওয়ার শর্তে ২০২০ সালের মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। তার সেই সাময়িক মুক্তির মেয়াদ প্রতি ছয় মাস পরপর বাড়ানো হয়।

কালের চিঠি / আশিকুর।