রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কলকাতা-পাঞ্জাবের রান বন্যার ম্যাচে যত রেকর্ড ।

এবারের আইপিএলকে রান বন্যার টুর্নামেন্ট বললে ভুল হবে। কারণটা সবার চোখেই পরিস্কার। আগে ব্যাট করে কোনো দল যত রানই তুলুক না কেন সেটা নিরাপদ নয়। প্রতিপক্ষও ব্যাটে ঝড় তোলার জন্য প্রস্তুত। এই যেমন গেল রাতের ম্যাচটিই দেখুন না। কলকাতা নাইট রাইডার্স ২৬০ ছাড়ানো বিশাল পুঁজি নিয়েও জিততে পারেনি। জনি বেয়ারস্টো ও শশাঙ্ক সিংরা মিলে এই পুঁজিকে মামুলি বানিয়ে তুলে নেয় অবিশ্বাস্য জয়। তাও আবার ৮ বল হাতে রেখে।

গতকাল শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) পাঞ্জাব বনাম কলকাতা ম্যাচে দেখা গেল নতুন বিশ্বরেকর্ডের। টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৬১ রান তাড়ার কীর্তি গড়ল পাঞ্জাব কিংস। অবশ্য এটা প্রথম নয়, এর আগেও ছয়বার আড়াইশর গণ্ডি পেরিয়েছে বেশকটি দল। তবে, কালকের ম্যাচটিই ছাড়িয়ে গেল সব।

সব।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কলকাতা-পাঞ্জাবের ম্যাচে কি কি রেকর্ড হলো—

১. টি-টোয়েন্টিতে এটাই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় পাওয়া ম্যাচ এটি। যদিও রান তাড়ায় এটা যৌথ সর্বোচ্চ। পাঞ্জাব কিংসের আগে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও পরে ব্যাট করে ২৬২ রান করেছিল। তবে, ২৬২ করেও সেদিন জিততে পারেননি কোহলিরা। কাল যেটা জিতে রেকর্ড গড়েছে পাঞ্জাব।

২. আইপিএলে ২৫০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়ায় সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো।

৩. কাল ৬ ওভার শেষে ৯৩ রান তুলেছিল পাঞ্জাব কিংস, যা পাওয়ারপ্লেতে তাদের দলীয় সর্বোচ্চ।

৪. গতকালসহ এবারের আইপিএলে এ নিয়ে ২৫০‍+ দলীয় সংগ্রহ দেখা গেল ৭ বার, যা কোনো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি।

৫. কাল বল হাতে ৬০ রান দিয়েছেন পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক স্যাম কারান। আইপিএলে যে কোনো অধিনায়কের সবচেয়ে খরুচে বোলিং এটিই।

৬. কাল দুই দল মিলিয়ে করা মোট রান, কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথমটি হলো ৫৪৯ রানের ম্যাচ। যেটাও হয়েছে এবারের আইপিএলেই—রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মধ্যে।

৭. কাল ২৪টি ছক্কা মেরেছে পাঞ্জাব কিংস, যা আইপিএলের এক ইনিংসে কোনো দলের সর্বোচ্চ।

৮. কাল দুদল মিলে ৪২টি ছক্কা হাঁকিয়েছে। যা কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সর্বোচ্চ।

৯. কালকের ম্যাচসহ এই নিয়ে আইপিএলে দলীয় ২০০ পার হলো ২৪ বার।

১০. কালকের ম্যাচসহ এবারের আইপিএলে দলগুলো এখন পর্যন্ত চার হাঁকিয়েছে ১২৯৬টা আর ছক্কা হাঁকিয়েছে ৭৭১টি।

কালের চিঠি/ ফাহিম

Tag :

কলকাতা-পাঞ্জাবের রান বন্যার ম্যাচে যত রেকর্ড ।

Update Time : ০৫:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪

এবারের আইপিএলকে রান বন্যার টুর্নামেন্ট বললে ভুল হবে। কারণটা সবার চোখেই পরিস্কার। আগে ব্যাট করে কোনো দল যত রানই তুলুক না কেন সেটা নিরাপদ নয়। প্রতিপক্ষও ব্যাটে ঝড় তোলার জন্য প্রস্তুত। এই যেমন গেল রাতের ম্যাচটিই দেখুন না। কলকাতা নাইট রাইডার্স ২৬০ ছাড়ানো বিশাল পুঁজি নিয়েও জিততে পারেনি। জনি বেয়ারস্টো ও শশাঙ্ক সিংরা মিলে এই পুঁজিকে মামুলি বানিয়ে তুলে নেয় অবিশ্বাস্য জয়। তাও আবার ৮ বল হাতে রেখে।

গতকাল শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) পাঞ্জাব বনাম কলকাতা ম্যাচে দেখা গেল নতুন বিশ্বরেকর্ডের। টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ২৬১ রান তাড়ার কীর্তি গড়ল পাঞ্জাব কিংস। অবশ্য এটা প্রথম নয়, এর আগেও ছয়বার আড়াইশর গণ্ডি পেরিয়েছে বেশকটি দল। তবে, কালকের ম্যাচটিই ছাড়িয়ে গেল সব।

সব।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কলকাতা-পাঞ্জাবের ম্যাচে কি কি রেকর্ড হলো—

১. টি-টোয়েন্টিতে এটাই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় পাওয়া ম্যাচ এটি। যদিও রান তাড়ায় এটা যৌথ সর্বোচ্চ। পাঞ্জাব কিংসের আগে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও পরে ব্যাট করে ২৬২ রান করেছিল। তবে, ২৬২ করেও সেদিন জিততে পারেননি কোহলিরা। কাল যেটা জিতে রেকর্ড গড়েছে পাঞ্জাব।

২. আইপিএলে ২৫০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়ায় সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো।

৩. কাল ৬ ওভার শেষে ৯৩ রান তুলেছিল পাঞ্জাব কিংস, যা পাওয়ারপ্লেতে তাদের দলীয় সর্বোচ্চ।

৪. গতকালসহ এবারের আইপিএলে এ নিয়ে ২৫০‍+ দলীয় সংগ্রহ দেখা গেল ৭ বার, যা কোনো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি।

৫. কাল বল হাতে ৬০ রান দিয়েছেন পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক স্যাম কারান। আইপিএলে যে কোনো অধিনায়কের সবচেয়ে খরুচে বোলিং এটিই।

৬. কাল দুই দল মিলিয়ে করা মোট রান, কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথমটি হলো ৫৪৯ রানের ম্যাচ। যেটাও হয়েছে এবারের আইপিএলেই—রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মধ্যে।

৭. কাল ২৪টি ছক্কা মেরেছে পাঞ্জাব কিংস, যা আইপিএলের এক ইনিংসে কোনো দলের সর্বোচ্চ।

৮. কাল দুদল মিলে ৪২টি ছক্কা হাঁকিয়েছে। যা কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সর্বোচ্চ।

৯. কালকের ম্যাচসহ এই নিয়ে আইপিএলে দলীয় ২০০ পার হলো ২৪ বার।

১০. কালকের ম্যাচসহ এবারের আইপিএলে দলগুলো এখন পর্যন্ত চার হাঁকিয়েছে ১২৯৬টা আর ছক্কা হাঁকিয়েছে ৭৭১টি।

কালের চিঠি/ ফাহিম