শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের হুমকি

ভারত ছাড়ার হুমকি দিল মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মটি দিল্লি হাইকোর্টকে বলেছে, এনক্রিপশন ভাঙতে বাধ্য করা হলে তারা ভারত ছেড়ে যাবে। খবর এনডিটিভির

আদালতে হোয়াটসঅ্যাপের আইনজীবী বলেছেন, সাধারণ মানুষ গোপনীয়তার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাদের সমস্ত বার্তা এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্ট করা হয়।

হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে ভারতের ২০২১ সালের তথ্য প্রযুক্তি আইনকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে, কে কোন তথ্য দিচ্ছে তা চিহ্নিত করতে হবে। এ ব্যাপারে শুনানির দিন ধার্য হয় আগামী ১৪ আগস্ট। তার আগেই হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লি হাইকোর্টকে তাদের অবস্থান জানিয়ে রাখল।

মোদি সরকার ২০২১-এর ২৫ ফেব্রুয়ারি তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০২১-এর যে গাইডলাইন প্রকাশ করে। সেখানে টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিয়ম মেনে চলার কথা বলা হয়।

এর ভারতের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয় , হোয়াটসঅ্যাপ ভারতে ব্যবহারকারীদের মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে।

মন্ত্রণালয়টির দাবি, যদি তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০২১ বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য ভুয়া তথ্যের উৎস খোঁজার কাজ কঠিন হয়ে পড়বে। বিষয়টি সমাজে শান্তি সম্প্রীতি বিঘ্নিত করবে। যা সমাজকে বিশৃঙ্খলতার দিকে নিয়ে যাবে।

পরে দিল্লি হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জিজ্ঞাসা করেন, এ ব্যাপারটি অন্য কোনও দেশে আছে কিনা। সেই সময় হোয়াটসঅ্যাপের তরফে উপস্থিত আইনজীবী বলেন, বিশ্বের কোনও দেশে এই ধরনের কোনও নিয়ম নেই।

কালের চিঠি / আশিকুর।

Tag :

ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের হুমকি

Update Time : ০৪:১৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪

ভারত ছাড়ার হুমকি দিল মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মটি দিল্লি হাইকোর্টকে বলেছে, এনক্রিপশন ভাঙতে বাধ্য করা হলে তারা ভারত ছেড়ে যাবে। খবর এনডিটিভির

আদালতে হোয়াটসঅ্যাপের আইনজীবী বলেছেন, সাধারণ মানুষ গোপনীয়তার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাদের সমস্ত বার্তা এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্ট করা হয়।

হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে ভারতের ২০২১ সালের তথ্য প্রযুক্তি আইনকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে, কে কোন তথ্য দিচ্ছে তা চিহ্নিত করতে হবে। এ ব্যাপারে শুনানির দিন ধার্য হয় আগামী ১৪ আগস্ট। তার আগেই হোয়াটসঅ্যাপ দিল্লি হাইকোর্টকে তাদের অবস্থান জানিয়ে রাখল।

মোদি সরকার ২০২১-এর ২৫ ফেব্রুয়ারি তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০২১-এর যে গাইডলাইন প্রকাশ করে। সেখানে টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিয়ম মেনে চলার কথা বলা হয়।

এর ভারতের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয় , হোয়াটসঅ্যাপ ভারতে ব্যবহারকারীদের মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে।

মন্ত্রণালয়টির দাবি, যদি তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০২১ বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য ভুয়া তথ্যের উৎস খোঁজার কাজ কঠিন হয়ে পড়বে। বিষয়টি সমাজে শান্তি সম্প্রীতি বিঘ্নিত করবে। যা সমাজকে বিশৃঙ্খলতার দিকে নিয়ে যাবে।

পরে দিল্লি হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জিজ্ঞাসা করেন, এ ব্যাপারটি অন্য কোনও দেশে আছে কিনা। সেই সময় হোয়াটসঅ্যাপের তরফে উপস্থিত আইনজীবী বলেন, বিশ্বের কোনও দেশে এই ধরনের কোনও নিয়ম নেই।

কালের চিঠি / আশিকুর।