রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রাইমারির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার, নিতেন ১৪ লাখ টাকা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা-২০২৩ এর প্রশ্নফাঁস চক্রের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। চুক্তির শুরুতে ২ লাখ টাকা, লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে ৪ লাখ টাকা এবং চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলে ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা নিতো চক্রটি।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে মিন্টো রোডে ডিএমপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ।

তিনি জানান, মাদারীপুর, রাজবাড়ি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর অঞ্চলের প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের মূলহোতা অসীম গাইন। যিনি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। ডিবিপ্রধান জানান, চক্রটি ১০ থেকে ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের সাথে চুক্তি করেন। যাদের বয়স শেষের দিকে তাদেরকে বিশেষভাবে টার্গেট করতেন অসীম।

অসীম যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দিতে পারেন বলে এলাকায় প্রচার করতেন। প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর তা দ্রুত সামাধানের জন্য সহায়তা করতেন, তার আপন ভাইয়ের ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র জ্যোতিময় গাইন। যার সাথে আইন বিভাগের আরও দুইজন সহপাঠী সুজন চন্দ্র রায় এবং বেনু লাল দাস এই তিনজন মিলে প্রশ্নপত্রের দ্রুত সমাধান করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাথীকে পাঠিয়ে দিতেন।

অসীম গাইনসহ এই চক্রটি এর আগেও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অল্পদিনেই কয়েকশ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে জানান ডিবিপ্রধান।

কালের চিঠি /আলিফ

Tag :
Popular Post

কোটা বিরোধী আন্দোলনে ঢাকায় ২ শিক্ষার্থী নিহত

প্রাইমারির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার, নিতেন ১৪ লাখ টাকা

Update Time : ০৪:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা-২০২৩ এর প্রশ্নফাঁস চক্রের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। চুক্তির শুরুতে ২ লাখ টাকা, লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে ৪ লাখ টাকা এবং চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলে ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা নিতো চক্রটি।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে মিন্টো রোডে ডিএমপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ।

তিনি জানান, মাদারীপুর, রাজবাড়ি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর অঞ্চলের প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের মূলহোতা অসীম গাইন। যিনি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। ডিবিপ্রধান জানান, চক্রটি ১০ থেকে ১৪ লাখ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের সাথে চুক্তি করেন। যাদের বয়স শেষের দিকে তাদেরকে বিশেষভাবে টার্গেট করতেন অসীম।

অসীম যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দিতে পারেন বলে এলাকায় প্রচার করতেন। প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর তা দ্রুত সামাধানের জন্য সহায়তা করতেন, তার আপন ভাইয়ের ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র জ্যোতিময় গাইন। যার সাথে আইন বিভাগের আরও দুইজন সহপাঠী সুজন চন্দ্র রায় এবং বেনু লাল দাস এই তিনজন মিলে প্রশ্নপত্রের দ্রুত সমাধান করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাথীকে পাঠিয়ে দিতেন।

অসীম গাইনসহ এই চক্রটি এর আগেও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অল্পদিনেই কয়েকশ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে জানান ডিবিপ্রধান।

কালের চিঠি /আলিফ