মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তাপপ্রবাহে ফসল রক্ষায় কৃষকের দোড়গোড়ায় কৃষিবিভাগ

গাইবান্ধার প্রত্যান্ত অঞ্চলে গত এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত রয়েছে তাপপ্রবাহ। এতে করে কৃষকের দন্ডায়মান বোরো ধান, পাট, ভুট্রাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে নেমেছেন কৃষিবিভাগের কর্মকর্তারা। কৃষকদের ফসল রক্ষায় করণীয় বিষয়ে সচেতন করছেন তারা।

এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পাটোয়া ও নাকাই এলাকাসহ বিভিন্ন কৃষকসেবা কেন্দ্রে কৃষকদের পরাশর্ম প্রদান করা হয়।

এসয় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদি হাসান, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সারোয়ার জাহান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাজু ও জিয়াউল হক পিন্টু।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাজু বলেন, তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে ধানের উৎপাদন কমে যেতে পারে। তাই এই সময়ে অবশ্যই জমিতে ২-২.৫ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদি হাসান জানান, অতি তাপপ্রবাহে ধান-পাট ছাড়াও আম, কাঠাল লিচুর ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশী হলে কৃষির জন্য অসহনীয়। এই দুর্যোগ থেকে কৃষি ফসল রক্ষার্থে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :
Popular Post

বেরোবিতে কোঠা ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

তাপপ্রবাহে ফসল রক্ষায় কৃষকের দোড়গোড়ায় কৃষিবিভাগ

Update Time : ০৪:১৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

গাইবান্ধার প্রত্যান্ত অঞ্চলে গত এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত রয়েছে তাপপ্রবাহ। এতে করে কৃষকের দন্ডায়মান বোরো ধান, পাট, ভুট্রাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে নেমেছেন কৃষিবিভাগের কর্মকর্তারা। কৃষকদের ফসল রক্ষায় করণীয় বিষয়ে সচেতন করছেন তারা।

এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পাটোয়া ও নাকাই এলাকাসহ বিভিন্ন কৃষকসেবা কেন্দ্রে কৃষকদের পরাশর্ম প্রদান করা হয়।

এসয় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদি হাসান, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সারোয়ার জাহান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাজু ও জিয়াউল হক পিন্টু।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাজু বলেন, তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে ধানের উৎপাদন কমে যেতে পারে। তাই এই সময়ে অবশ্যই জমিতে ২-২.৫ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদি হাসান জানান, অতি তাপপ্রবাহে ধান-পাট ছাড়াও আম, কাঠাল লিচুর ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশী হলে কৃষির জন্য অসহনীয়। এই দুর্যোগ থেকে কৃষি ফসল রক্ষার্থে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

কালের চিঠি / আলিফ