সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহত আরও ৫৪, প্রাণহানি বেড়ে ৩৪১৫১

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই সময়ে আহত হয়েছেন ১০৪ জন। এ নিয়ে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান এই যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৫১ জনে। আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৮৪ জনে।

সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।

 

এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছে। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছতে পারছেন না।
জাতিসংঘের মতে, গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে ভূখণ্ডের ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সেই সঙ্গে অঞ্চলটির ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

জাতিসংঘ আরও বলছে, দীর্ঘ এ সময় ধরে চলা সংঘাতের কারণে মানবিক সংকটে দিন পার করছেন ফিলিস্তিনিরা। এছাড়াও খাবার, পানি, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তার অভাবে উপত্যকাটির ২৩ লাখেরও বেশি বাসিন্দা চরম ক্ষুধা ও ভয়াবহ অপুষ্টিতে ভুগছেন।

গত মাসের শেষের দিকে (২৫ মার্চ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। হামাস এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও, ইসরাইল যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ফিলিস্তিনি ছিটমহলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আইসিজে একটি অন্তর্বর্তী রুল জারি করে তেল আবিবকে গণহত্যামূলক কাজ বন্ধ করতে এবং গাজার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদানের গ্যারান্টি দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।

কালের চিঠি / আশিকুর।

Tag :

ইসরাইলি হামলায় গাজায় নিহত আরও ৫৪, প্রাণহানি বেড়ে ৩৪১৫১

Update Time : ১০:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই সময়ে আহত হয়েছেন ১০৪ জন। এ নিয়ে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান এই যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৫১ জনে। আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৮৪ জনে।

সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।

 

এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছে। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছতে পারছেন না।
জাতিসংঘের মতে, গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে ভূখণ্ডের ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সেই সঙ্গে অঞ্চলটির ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

জাতিসংঘ আরও বলছে, দীর্ঘ এ সময় ধরে চলা সংঘাতের কারণে মানবিক সংকটে দিন পার করছেন ফিলিস্তিনিরা। এছাড়াও খাবার, পানি, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তার অভাবে উপত্যকাটির ২৩ লাখেরও বেশি বাসিন্দা চরম ক্ষুধা ও ভয়াবহ অপুষ্টিতে ভুগছেন।

গত মাসের শেষের দিকে (২৫ মার্চ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। হামাস এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানালেও, ইসরাইল যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ফিলিস্তিনি ছিটমহলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আইসিজে একটি অন্তর্বর্তী রুল জারি করে তেল আবিবকে গণহত্যামূলক কাজ বন্ধ করতে এবং গাজার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদানের গ্যারান্টি দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।

কালের চিঠি / আশিকুর।